সৌরশক্তির পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজন ৩ হাজার কোটি ডলার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, দেশে কাঙ্ক্ষিত হারে সৌর শক্তির বিকাশে প্রয়োজন প্রযুক্তি হস্তান্তর ও ব্যাপক বিনিয়োগ। সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্সের (আইএসএ) সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। ৮ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। নেট মিটারড রুফটপ সোলার, সোলার ইরিগেশন পাম্প, ভাসমান সোলার, সৌর এগ্রোভোলটাইক্স ইত্যাদি প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে।

সৌরশক্তির পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজন ৩ হাজার কোটি ডলার
তিনি জানান, সাড়ে চার লক্ষ ডিজেল পাম্পকে সোলার ইরিগেশন পাম্পে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ১০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌর বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে হবে। নসরুল হামিদ বলেন, কম জমি ব্যবহার করে বা কম বিকিরণ থেকে বেশি সৌর বিদ্যুৎ পাওয়ার প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলাদেশের ৪৪ জন কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়ায় আইএসএকে ধন্যবাদ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপযুক্ত নীতি, নিয়ন্ত্রক কাঠামো, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য বিজনেস মডেল তৈরি করতে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই।

সভায় আইএসএ মহাপরিচালক ড. অজয় মাথুর বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে এগোতে পারলে সৌরশক্তির দ্রুত বিস্তার ঘটবে। বাংলাদেশে পাইলট প্রকল্পে অর্থায়নে আইএসএ’র সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।