মোকার প্রভাবে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ থাকায় দেশব্যাপী লোডশেডিং

মোকার প্রভাবে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ থাকায় দেশব্যাপী লোডশেডিং । ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’র প্রভাবে মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টা থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে।

এসময় চট্টগ্রাম, মেঘনাঘাট, হরিপুর এবং সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় গ্যাস চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দেয়ায় ৮০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হচ্ছে। এদিকে বিদ্যুৎ সংকট সৃষ্টি হওয়াতে পিডিবির পক্ষ থেকে ‘দুঃখ প্রকাশ’ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হওয়ায় ইতোমধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী লোডশেডিং শুরু করেছে দুই বিতরণ কোম্পানি।

মোকার প্রভাবে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ থাকায় দেশব্যাপী লোডশেডিং

পিডিবি তাদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলছে, মোকা রোববার (১৪ মে) বাংলাদেশের কক্সবাজার ও অন্যান্য স্থানে আঘাত হানতে পারে। এসময় বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে আপনাদের সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটতে পারে। দুর্যোগকালীন বিদ্যুৎ উৎপাদন, বিতরণ ও সঞ্চালন ব্যবস্থা নানাভাবে ব্যাহত হতে পারে।

মোকার প্রভাবে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ থাকায় দেশব্যাপী লোডশেডিং

ডিপিডিসি জানিয়েছে, তাদের বিদ্যুতের মোট চাহিদা ১ হাজার ৬৭৮ মেগাওয়াট। কিন্তু উৎপাদন কম হওয়ায় এর মধ্যে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে প্রায় ৪৭৮ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির (ডেসকো) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাওসার আমীর আলী গণমাধ্যমকে বলেন, গ্যাসের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় আমরা বেশ ঝামেলার মধ্যে আছি। দিনের বেলায় ৩২২ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হচ্ছে। ডেসকোর অধীন এলাকায় এখন চাহিদা আছে ১ হাজার ১৫৭ আর বিদ্যুৎ পাচ্ছি ৮৩৫ মেগাওয়াট।  রাতে লোডশেডিং কমে আসবে বলেও জানান তিনি।

Leave a Comment