স্ট্যান্ডিং টিকিট না পেয়ে খালি হাতে ফিরছেন বেশিরভাগ মানুষ। তুলনামূলক আরামদায়ক হওয়ায় অধিকাংশ মানুষের পছন্দ রেলপথে ভ্রমণ। গত ১৭ এপ্রিল থেকে ট্রেনে এবার ঈদযাত্রা শুরু হয়েছে। গত সোমবার (১৭ এপ্রিল) থেকে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুরু হয়েছে ট্রেন ঈদযাত্রা।
এবার অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটা সিস্টেম চালুর পাশাপাশি যারা অনলাইন মাধ্যমে টিকিট কাটতে পারেননি তাদের জন্য যাত্রার দুই ঘণ্টা আগে দাঁড়িয়ে যাওয়ার (স্ট্যান্ডিং টিকিট) টিকিটের ব্যবস্থা রেখেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় শতকরা ২৫ শতাংশ টিকিটের বেশি বিক্রি না করায় অনেক যাত্রী টিকিট না পেয়ে খালি হাতে ফিরে গেছেন স্টেশন থেকে।
স্ট্যান্ডিং টিকিট না পেয়ে খালি হাতে ফিরছেন বেশিরভাগ মানুষ
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের কাউন্টারগুলোর সামনে স্ট্যান্ডিং টিকিট প্রক্রিয়ায় টিকিট পেতে যাত্রীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, এবার আন্তঃনগর, মেইল ট্রেন মিলিয়ে দৈনিক ৬০-৬৫ হাজার মানুষ ট্রেনে যাত্রা করছেন। এবারের ঈদযাত্রায় উত্তরাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা ৭টি ট্রেন রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশনে যাত্রা বিরতি না দিয়ে সরাসরি কমলাপুর স্টেশনে চলে আসছে। আর ঈদযাত্রায় ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঠেকাতে এমন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
ঈদযাত্রা শুরুর দিন অর্থাৎ ১৭ এপ্রিল থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত ঢাকাগামী একতা এক্সপ্রেস, দ্রুতযান, পঞ্চগড়, নীলসাগর, কুড়িগ্রাম, লালমনি ও রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেন ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে না। এছাড়াও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আন্তঃদেশীয় মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেন ১৮ থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত এবং মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন ২০ থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে আন্তঃদেশীয় বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেন যথারীতি চলাচল করবে।
এবারে কমলাপুর স্টেশনে টিকিট ছাড়া কেউ প্রবেশের অনুমতি পায়নি। তাকে টিকিট কাটতে তাকে দাঁড়ানো টিকিট কেটে স্টেশনে প্রবেশের অনুমতি নিতে হচ্ছে। যাত্রীদের নিরাপত্তায় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে রয়েছে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।