বন্ধুরাষ্ট্র জাপান বাংলাদেশকে উন্নয়ন সহযোগীতা অব্যাহত রাখার ঘোষনা দিয়েছে

japan Bangladesh বন্ধুরাষ্ট্র জাপান বাংলাদেশকে উন্নয়ন সহযোগীতা অব্যাহত রাখার ঘোষনা দিয়েছে
জাপান বাংলাদেশকে সব ধরনের উন্নয়ন সহযোগীতা অব্যাহত রাখবে।
মঙ্গলবার টোকিও তে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-জাপান চতুর্থ ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) সভাশেষে দেয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জাপানকে মাতারবাড়ি অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগ (এমআইডিআই) প্রকল্পের আওতায় দক্ষিণ চট্রগ্রামের অধিকতর উম্নয়নে অংশীদারিত্বমূলক সহযোগীতার পরামর্শ দিলে জাপানের মন্ত্রী তার সরকারের এ ইতিবাচক অবস্হানের কথা জানান।
বন্ধুদেশ জাপানের এ ঘোষনা এমন সময়ে আসলো যখন বাংলাদেশের অর্থনীতি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বৈদেশিক মূদ্রা ব্যয়ে সংকোচনশীল নীতি অবলম্বন করছে।
একইসময়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন ও বৈদেশিক আয়ের ক্ষেত্রে অস্হিতিশীলতা, দেশীয় বাজারে মূল্যস্ফীতি এবং আগামী বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ও জাপানের পক্ষে সিনিয়র ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিগিয়ো ইয়ামাদা বৈঠকে নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।
এ সভায় দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় ছাড়াও আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যু নিয়েও বিশদ আলোচনা হয়।
google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন
বৈঠকে জানানো হয় জাপানের বিগ-বি উদ্যোগের আওতায় বাস্তবায়নকৃত ও বাস্তবায়নাধীন সব প্রকল্প সম্পন্ন হলে শুধু বাংলাদেশ নয় পুরো অঞ্চল তার সুবিধা ভোগ করবে।
পররাষ্ট্র সচিব মোমেন বাংলাদেশ সরকারের কানেক্টিভিটি উদ্যোগ এগিয়ে নিয়ে যেতে মাতারবাড়ি প্রকল্প, মেট্রো রেল ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পে জাপানের আর্থিক অংশীদারিত্বের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি অতিমারী কোভিড ও যুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশকে বাজেট বাস্তবায়নে সহযোগীতার জন্যও সরকারের পক্ষ থেকে জাপানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উভয়পক্ষ নারায়নগঞ্জের আড়াইহাজারে নির্মিতব্য স্পেশাল ইকোনোমিক জোনের প্রথম পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি নিয়ও সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এ বৈঠকে জাপানের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী টোকিওতে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট পূনরায় চালুর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দু’পক্ষই এতে উপকৃত হবে।
উভয়পক্ষ বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা, বিনিয়োগ, কৃষি, আইসিটি, হাই-টেক শিল্প, ব্লু-ইকোনোমি, স্বাস্থ্য, মানব সম্পদ উন্নয়ন, সমূদ্র নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধি সামরিক সহযোগিতা ও দূর্যোগ ব্যবস্হাপনা নিয়েও বিশদ আলোচনা করেন।
বাংলাদেশ বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাপানের অধিকতর সহযোগিতা চায়।
জাপানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠনমূলক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রশংসা করেন।
উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী শিগিয়ো ইয়ামাদা ২০২৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য পরবর্তী এফওসি বৈঠকে যোগ দেবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
২৮-০২-২০২৩ ইং। সময় ১০:১০ ঘন্টা।

Leave a Comment