ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে কারখানাটিতে আগুন লাগার খবর পায় সংস্থাটি। খবর পাওয়ার সাত মিনিটের মধ্যে প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম শুরু করে। পরে পর্যায়ক্রমে আরও চারটি ইউনিট সেখানে যোগ দেয়।
আগুনের তীব্রতা ও পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী সময়ে আরও তিনটি ইউনিট পাঠানো হয়। বর্তমানে আটটি ইউনিট সমন্বিতভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।
তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা জানা যায়নি। কারখানাটির কতটুকু অংশ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। আগুনে কারখানার যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল কিংবা প্রস্তুত পণ্যের কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না, তা-ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্লাস্টিক কারখানায় অগ্নিনির্বাপণের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। প্লাস্টিকজাত পণ্য ও কিছু ধরনের কাঁচামাল আগুনের সংস্পর্শে এলে দ্রুত শিখা ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ ছাড়া প্লাস্টিক পোড়ার ফলে ঘন ধোঁয়া তৈরি হতে পারে, যা উদ্ধারকাজ ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমকে জটিল করে তুলতে পারে। তবে আমান প্লাস্টিক কারখানায় আগুনের বিস্তার বা ধোঁয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে এখনো নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ ধরনের অগ্নিকাণ্ডে আগুনের উৎস শনাক্ত করা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই ঘটনায় আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধান বা ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম শেষ হলে কারখানাটির ক্ষয়ক্ষতি এবং দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।









