গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন চীনা নাগরিক ফিলি লিহান (৫৪) এবং বাংলাদেশি নাগরিক চম্পা দাস। পুলিশ জানিয়েছে, একটি অভিযোগের তদন্ত করতে সাভার মডেল থানার একটি দল মীন টাওয়ারে যায়। সেখানে একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানোর সময় দেশীয় মদ তৈরির ব্যবস্থা দেখতে পায় তারা। পরে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে ওই ফ্ল্যাটে দেশীয় মদ তৈরি ও বিক্রি করে আসছিলেন। ঘটনাস্থল থেকে মদ তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মদ উৎপাদন ও বিক্রির পরিধি এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল আলম জানান, চম্পা দাসের বাসায় মদ তৈরির সময় চীনা নাগরিকসহ তাঁকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, চম্পা দাস গত আড়াই বছর ধরে ওই বাসায় মদ তৈরির কাজ করে আসছিলেন।
ওসি আরও জানান, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাভার মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আবাসিক ভবনের ফ্ল্যাটে মদ তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়ার ঘটনায় সেখানে কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে এ কার্যক্রম চলছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শনাক্ত করতে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের পাশাপাশি নিয়মিত নজরদারিও গুরুত্বপূর্ণ। তবে উদ্ধার করা মদের উৎস, উৎপাদনের পদ্ধতি, সম্ভাব্য ক্রেতা এবং বিক্রির নেটওয়ার্ক সম্পর্কে তদন্তের ফল না আসা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
মামলার পরবর্তী তদন্তে জব্দ করা মদ ও সরঞ্জাম পরীক্ষা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং উৎপাদন ও বিক্রির সঙ্গে অন্য কেউ যুক্ত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখার সুযোগ রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হলেও আদালতে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তদের দোষী হিসেবে গণ্য করা যায় না।









