শুক্রবার (৯ অক্টোবর) চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এস এম মুরাদ রাশেদের বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক আবু সাঈদের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের নীতি ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে রাশেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি হাসান মুহাম্মদ জসিম ও সাধারণ সম্পাদক এস এম মুরাদ চৌধুরী এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, বহিষ্কৃত রাশেদের কোনো ধরনের অপকর্মের দায়দায়িত্ব দল নেবে না। একই সঙ্গে যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তাঁর সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে রাশেদের কর্মকাণ্ড থেকে সংগঠনের অবস্থান স্পষ্ট করার পাশাপাশি দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
তবে রাশেদের বিরুদ্ধে ঠিক কী ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে, তা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি। ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তাঁর বহিষ্কারের বিষয়টি সামনে এসেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরে এক হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ রাশেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় নগরের পাহাড়তলী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। তবে মামলার তদন্তের অগ্রগতি কিংবা অভিযোগের বিষয়ে রাশেদের বক্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এস এম মুরাদ বলেন, দলীয় পদে থেকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুযোগ নেই। হাইতকান্দি ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক রাশেদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ থাকায় তাঁর প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ উঠলে দলীয় শৃঙ্খলার পাশাপাশি আইনি প্রক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ ক্ষেত্রে গ্রেপ্তার ও মামলা দায়েরের তথ্যের ভিত্তিতে রাশেদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে মামলার অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণের বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল। আদালতে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে দোষী হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।









