,

মানিকগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৩৩ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

মানিকগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালগুলোতে ২৯ জন এবং বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চারজনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। তবে এ সময়ে ডেঙ্গুতে নতুন করে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মানিকগঞ্জে মোট ১ হাজার ১৫৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালগুলোতে ৮৬১ জন এবং বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ২৯৪ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। অর্থাৎ শনাক্ত রোগীদের বড় অংশই সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসা নিয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে শনাক্ত হওয়া রোগীদের মধ্যে সদর হাসপাতালে পাঁচজন, হরিরামপুরে সাতজন, ঘিওরে একজন, শিবালয়ে তিনজন এবং সাটুরিয়ায় ছয়জন রয়েছেন। এছাড়া মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাতজন এবং মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চারজন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

এক দিনে নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার পাশাপাশি জেলার হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য রয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে মানিকগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে ৮২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা শেষে ২৪ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১ হাজার ৭৩ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। একই সময়ে ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরে জেলায় শনাক্ত হওয়া মোট রোগীর মধ্যে ৮৯ দশমিক ৬ শতাংশের বেশি সরকারি হাসপাতালগুলোতে শনাক্ত হয়েছেন। বাকি রোগীরা বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে শনাক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৩৩ জনের মধ্যে ২৯ জন সরকারি এবং চারজন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শনাক্ত হওয়ায় নতুন রোগী শনাক্তের ক্ষেত্রেও সরকারি হাসপাতালগুলোর অংশ বেশি।

ডেঙ্গু সাধারণত এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। বর্ষাকাল ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার প্রজনন বাড়তে পারে। ফলে বাড়ি, কর্মস্থল ও আশপাশের এলাকায় পানি জমে থাকা ঠেকানো, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং মশার কামড় থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা নেওয়াকে রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়।

মানিকগঞ্জে বর্তমানে ৮২ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ডেঙ্গু পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে হচ্ছে। একই সঙ্গে নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার ধারাবাহিকতা থাকায় জ্বর বা ডেঙ্গুর সম্ভাব্য উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

Tags :

সর্বশেষ খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : এ বি এম জাকিরুল হক টিটন ।

জিলাইভ২৪ বিশ্বব্যাপী বাংলাভাষীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য অনলাইন নিউজ পোর্টাল; যা রাজনীতি, খেলাধুলা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক সংবাদের সর্বশেষ আপডেট প্রকাশ করে।

© ২০২৬ GLive24। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।