সিদ্ধিরগঞ্জে অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় মাদক, চুরি, বিভিন্ন মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ একাধিক অপরাধের অভিযোগে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মোট ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

রবিবার (১০ মে) সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিকভাবে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বিভিন্ন ইউনিটের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারদের মধ্যে ছয়জনকে মাদকসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। এছাড়া একজনকে চুরির মামলায়, দুজনকে বৈষম্যবিরোধী মামলায়, একজনকে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে এবং বাকি কয়েকজনকে পুলিশ আইনের বিভিন্ন ধারায় আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশই সিদ্ধিরগঞ্জের শিমুলপাড়া, সুমিলপাড়া বিহারী ক্যাম্প, আদমজীনগর, কদমতলী, নয়াআটি, মুক্তিনগর এবং আশপাশ এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানিয়েছেন, মাদকসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের নিয়মিত অভিযান আরও জোরদার করা হবে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


গ্রেপ্তারদের তালিকা

ক্রমনামবয়সএলাকা/পরিচয়
নাজিম উদ্দিন২৮শিমুলপাড়া
সাগর২৮সুমিলপাড়া বিহারী ক্যাম্প
ইমন মিয়া২৭আদমজীনগর
রাহাত মিয়া২০কদমতলী
রাসেল মিয়া২৭নয়াআটি
বাবুল ওরফে বাবলু মিয়া৩২মুক্তিনগর
ফয়সাল মিয়া২৬শিমুলপাড়া
জীবন২৪সুমিলপাড়া
মোহাম্মদ ওয়াহিদ মিয়া২৬আদমজীনগর
১০মোহাম্মদ ফারুক মিয়া৩৮কদমতলী
১১মোহাম্মদ বাবু২৮নয়াআটি
১২হৃদয় মাহমুদ জনি৪৫মুক্তিনগর
১৩মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ৫২শিমুলপাড়া
১৪মোহাম্মদ আল আমিন২৭সুমিলপাড়া
১৫মোহাম্মদ আব্দুর রহমানআদমজীনগর
১৬মোহাম্মদ লুৎফর রহমান মুন্না২৮কদমতলী
১৭মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বিশ্বাস৫৫নয়াআটি
১৮আবু বক্কর৫২মুক্তিনগর

পুলিশ সূত্র জানায়, অভিযানের সময় ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়, যা প্রাথমিকভাবে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অভিযান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, এলাকায় মাদক ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ধারাবাহিক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে তারা মন্তব্য করেন।