স্বাধীনতা দিবসে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জাসদের

প্রেসবিজ্ঞপ্তি(১):

২৬ মার্চ ২০২৬, ঢাকা:

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি, শ্রমিক জোট, জাতীয় যুব জোট ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ সকাল ৭:২০ টায় শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এই কর্মসূচিতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বীরমুক্তিযোদ্ধা ও গণশহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জাসদ নেতৃবৃন্দ গণমাধ্যমকে বলেন, “বাঙালির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন হল বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালে রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার ৫৫ বছর পার হয়ে গেলেও আমরা প্রমাণ করেছি, বাঙালির স্বাধীন জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক ন্যায্যতা ছিল অনন্য। তবে স্বাধীনতা উত্তরকালে দেশের গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার ভিত্তিতে পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা ছিল। পাকিস্তানপন্থীরা রাষ্ট্র ক্ষমতায় পৌঁছে মুক্তিযুদ্ধের অর্জন ও স্মারক চিহ্ন মুছে দেওয়ার চেষ্টা করছে।”

জাসদ নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “৭১ এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, নাম এবং স্মারক চিহ্নগুলি ধ্বংসের লক্ষ্য হিসেবে ধরা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের জন্মশত্রুদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে সকল গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে একত্র হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”

শ্রদ্ধা কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন:

পদবিনাম
সভাপতিবীরমুক্তিযোদ্ধা শফি উদ্দিন মোল্লা
দফতর সম্পাদকসাজ্জাদ হোসেন
আইন বিষয়ক সম্পাদকএড. মোহম্মদ সেলিম
জাতীয় যুব জোট সাধারণ সম্পাদকশরিফুল ইসলাম সুজন
যুব জোট ঢাকা মহানগর দক্ষিন সভাপতিআলাউদ্দিন খোকন
শ্রমিক জোট নেতারায়হান আহমেদ মুকুল
ছাত্রলীগ সহ-সম্পাদকনাইম মল্লিক
ছাত্রলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিন সভাপতিসোরায়েদ হোসেন সাদী

জাসদ নেতা জানান, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণশহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের জন্য চিরন্তন শিক্ষা। দেশের সব মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে।”

এই প্রেক্ষাপটে জাসদ পরামর্শ দিয়েছে যে, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্বাধীনতার মূল চেতনা রক্ষা করতে হবে। দেশের যুব ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে স্বাধীনতার ইতিহাস সংরক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

জাসদ দফতর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বার্তাটি প্রেরণ করেছেন। এই কর্মসূচি বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাস এবং গণশহীদদের স্মৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে প্রেরণ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্বাধীনতার চেতনা ও গণপ্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তার প্রতি জাসদ নেতৃবৃন্দ পুনরায় জোরালো বার্তা দিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও শহীদ বীরদের স্মৃতিকে সুরক্ষিত রাখা দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য অপরিহার্য।