তারেক রহমানের সঙ্গে সর্বস্তরের মানুষের ঈদ শুভেচ্ছা

আজ শনিবার (২১ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সর্বস্তরের মানুষ, শিক্ষাবিদ ও কূটনীতিকদের সঙ্গে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান

ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান সকাল ১০টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শুরু হয়। তবে সকাল সাড়ে আটটা থেকে যমুনা প্রাঙ্গণের প্রবেশপথ উন্মুক্ত করা হলে মানুষ একত্রিত হতে শুরু করে। সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, শিক্ষক ও অন্যান্য পেশার মানুষ প্রাঙ্গণে সমবেত হন। ভিড় এমনভাবে বৃদ্ধি পায় যে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়াকড়ি ছিল। পুলিশ, র‍্যাব ও আনসার সদস্যরা পুরো এলাকায় নিয়মিত নজরদারি চালান। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপদ চলাচলের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান জামাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে উপস্থিত ছিলেন দেশের কূটনীতিক, সরকারি কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষ।

ঈদ উপলক্ষে ভিড়ের আনুমানিক সংখ্যা প্রায় ৫০,০০০। নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত পর্যবেক্ষণ রাখে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট উল্লেখযোগ্য। ২০০৭ সালে শেষবার দেশে ঈদ করেছিলেন তারেক রহমান। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে লন্ডনের পথে দেশ ত্যাগের পর দীর্ঘ ১৯ বছরের নির্বাসনের পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন। এবারই প্রথম দেশে ফিরে সরাসরি ঈদ উদযাপন করেন তিনি।

নিচের টেবিলে প্রধান তথ্যগুলো সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো:

বিষয়বিস্তারিত
অনুষ্ঠানস্থলরাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা
প্রধান অতিথিতারেক রহমান
সহধর্মিণীডা. জুবাইদা রহমান
জনসাধারণের উপস্থিতিপ্রায় ৫০,০০০
প্রধান জামাতের সময়সকাল ৮:৩০
নিরাপত্তাপুলিশ, র‍্যাব, আনসার
ঐতিহাসিক উল্লেখ১৯ বছরের নির্বাসনের পর দেশে প্রথমবারের ঈদ

উদ্যোগটি দেশের মানুষের মধ্যে আনন্দ এবং ঐক্যের বার্তা বহন করছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি শুভেচ্ছা বিনিময় সামাজিক সংহতির একটি প্রাণবন্ত উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘ নির্বাসনের পর দেশে ফিরেই দেশের মানুষের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করেছেন, যা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসে একটি বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।