ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে না জাপান

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ই মার্চ ২০২৬, ১:৫৬ পিএম

হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে না জাপান

মধ্যপ্রাচ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা রক্ষায় যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপান। দেশটির ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক শক্তির নীতিনির্ধারকেরা জানিয়েছেন, বিদ্যমান আইনগত সীমাবদ্ধতা এবং শান্তিবাদী সংবিধানের বিধান এই সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রধান প্রভাব ফেলেছে।

জাপানের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল উদার গণতান্ত্রিক দলের নীতিনির্ধারণী প্রধান তাকায়ুকি কোবায়াশি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ পাঠানো জাপানের জন্য অত্যন্ত কঠিন একটি সিদ্ধান্ত। তিনি উল্লেখ করেন, জাপানের বিদ্যমান আইনে বিদেশি সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের ক্ষেত্রে কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে, যা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে তাদের নিজস্ব তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বিশেষভাবে তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান যে, তারা যেন নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় নৌবাহিনী ব্যবহার করে। এই আহ্বানের পরই জাপানের পক্ষ থেকে সতর্ক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত। এই প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবাহিত হয়। বিশেষ করে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া চীনের মতো পূর্ব এশিয়ার শিল্পোন্নত দেশগুলোর জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ এই পথের ওপর নির্ভরশীল। ফলে সেখানে সামান্য অস্থিরতাও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জাপানের সংবিধানের নবম অনুচ্ছেদে যুদ্ধবিরোধী নীতি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রণীত এই সংবিধান অনুযায়ী দেশটি আক্রমণাত্মক সামরিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ফলে বিদেশে সরাসরি সামরিক শক্তি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে সরকারকে কঠোর আইনগত রাজনৈতিক পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব বোঝাতে নিচের সারণিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হলো—

বিষয়তথ্য
অবস্থানপারস্য উপসাগর ওমান উপসাগরের সংযোগস্থল
বৈশ্বিক তেল পরিবহনে ভূমিকাবিশ্বে সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের উল্লেখযোগ্য অংশ এই পথ দিয়ে যায়
প্রণালির গড় প্রস্থআনুমানিক কয়েক ডজন কিলোমিটার
নির্ভরশীল দেশজাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বহু এশীয় দেশ
কৌশলগত গুরুত্বজ্বালানি নিরাপত্তা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

কোবায়াশি বলেন, আইনগতভাবে সম্ভাবনাকে পুরোপুরি নাকচ করা না গেলেও বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি আরও জানান, জাপান সরাসরি সামরিক অংশগ্রহণের পরিবর্তে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত রাখার পক্ষে।

বিশ্লেষকদের মতে, জাপান একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র, অন্যদিকে তার সংবিধান অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতা সামরিক সিদ্ধান্তে সতর্কতা অবলম্বনের দিকে ধাবিত করে। ফলে টোকিও এমন এক ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখতে চাইছে, যাতে মিত্র দেশের প্রতি সমর্থন বজায় থাকে, আবার সংবিধানগত সীমাবদ্ধতাও লঙ্ঘিত না হয়।

সামগ্রিকভাবে দেখা যাচ্ছে, হরমুজ প্রণালির মতো স্পর্শকাতর অঞ্চলে জাপান এখনো সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পরিবর্তে কূটনৈতিক সতর্কতা এবং আইনগত সীমাবদ্ধতার মধ্যেই নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে আগ্রহী। এই অবস্থান ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা জ্বালানি রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে থাকতে পারে।

মন্তব্য