ডলির পরকীয়ায় ভেঙেছে বিখ্যাত দম্পতি

দেশের সংগীতাঙ্গনের এক সময়ের সুপরিচিত ও সমাদৃত জুটি ছিলেন ডলি সায়ন্তনী এবং রবি চৌধুরী। তাঁদের মিলে দেওয়া সুর ও সংগীতের যাদু শ্রোতাদের মনে আজও অম্লান ছাপ ফেলে। তবে ব্যক্তিগত জীবন সবসময় তাঁদের সাফল্যের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলেনি। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি পডকাস্টে রবি চৌধুরী দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে নিজের বিবাহবিচ্ছেদের নেপথ্য কাহিনী জানালেন, যা শোনার পর ভক্ত ও সাংবাদিক মহলে বিস্ময় ছড়িয়ে পড়েছে।

রবির বক্তব্য অনুযায়ী, ডলির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভাঙার মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন একজন ড্রাইভার, যিনি “বিপ্লব” নামে পরিচিত। রবি দাবি করেছেন যে ডলি ওই ব্যক্তির সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িত ছিলেন, যা পরে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, তাঁর সন্দেহের সূত্রপাত হয়েছিল ডলির ফোনে একটি নাম দেখে, যা “দুলাভাই” হিসেবে সেভ করা ছিল। তদন্তে জানা যায়, এই “দুলাভাই” ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবাসী বিপ্লব, যিনি তাঁদের কোরিয়া সফরে গাড়ি চালিয়েছিলেন।

রবি বিষয়টি ডলির পরিবারের সঙ্গেও আলোচনা করেন। তিনি ডলির বড় ভাই বাদশা বুলবুল-কে ফোন নম্বর যাচাইয়ের জন্য ডেকে পাঠান। যাচাই শেষে নিশ্চিত হয়, “দুলাভাই” নামে কোনো আত্মীয় নেই। নিজের সন্দেহের চূড়ান্ত সত্যতা পেয়ে রবি ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেন।

রবি চৌধুরী পডকাস্টে বলেছেন, তিনি ডলির ক্ষতি করতে চান না, কারণ তিনি একজন সন্তানের বাবা। তবে তিনি আশা করছেন যে ভক্তরা বিষয়টির সত্যতা বুঝবেন। এই ঘটনা দেশের সংগীত জগতের ভক্ত ও সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

নিচের টেবিলে বিচ্ছেদের নেপথ্য ঘটনার মূল তথ্য সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

বিষয়বিস্তারিত
প্রাক্তন দম্পতিডলি সায়ন্তনী ও রবি চৌধুরী
পরকীয়ার অভিযোগডলির সঙ্গে ড্রাইভার বিপ্লবের সম্পর্ক
বিপ্লবের পরিচয়দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী, গাড়ি চালক
সন্দেহের সূত্রফোনে “দুলাভাই” নম্বর
পারিবারিক যাচাইবাদশা বুলবুলের মাধ্যমে নিশ্চিতকরণ
বিচ্ছেদের কারণপরকীয়া প্রমাণিত হওয়া

দীর্ঘদিন ধরে নীরব থাকা রবি চৌধুরীর খোলামেলা বক্তব্য প্রমাণ করে যে, ব্যক্তিগত জীবনের জটিলতা কখনও কখনও পেশাদার সাফল্যের চেয়েও গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। সংগীতাঙ্গনের এই সুপরিচিত দম্পতির বিচ্ছেদ ভক্তদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে, এবং এটি দেশের গণমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে বোঝা যায়, সংগীতাঙ্গনের আলোচিত সম্পর্কও মানুষের নৈতিক ও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের পরীক্ষায় ভেসে যেতে পারে।