ইয়েরিভান, ১৩ ফেব্রুয়ারি – আর্মেনিয়ার অর্থমন্ত্রী Gevorg Papoyan বৃহস্পতিবার জানান যে দেশের কৃষি বীমা কার্যক্রম আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ থেকে পুনরায় চালু হবে। তিনি এই ঘোষণাটি লাইভ সম্প্রচারের মাধ্যমে তাঁর ফেসবুক পৃষ্ঠায় জানিয়েছেন।
মন্ত্রী পাপোয়ান জানান, ২০২৬ সালের কৃষি মৌসুমে যে ফসলগুলি বীমার আওতায় আসবে তা হলো: এপ্রিকট, আঙুর, আপেল, পীচ, প্লাম, তরমুজ, খরবুজ, আলু, চেরি, সুইট চেরি, গম, বার্লি ও ওটস।
বীমা মূলত তিনটি প্রাকৃতিক ঝুঁকি থেকে কৃষকদের সুরক্ষা দেবে: শিলা ঝড় (হেইল), বসন্তকালে শীতের প্রভাব (ফ্রস্ট) এবং খরার ঝুঁকি। মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন যে সরকার নির্দিষ্ট ফসলের জন্য বীমার প্রিমিয়ামের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ভর্তুকি দেবে।
সরকারি ভর্তুকির হার নিম্নরূপ:
| ফসলের নাম | সরকারি ভর্তুকি (%) |
|---|---|
| এপ্রিকট | 40% |
| গম | 40% |
| বার্লি | 40% |
| ওটস | 40% |
| অন্যান্য ফসল (যেমন আঙুর, আপেল, পীচ, প্লাম, তরমুজ, খরবুজ, আলু, চেরি, সুইট চেরি) | 60% |
মন্ত্রী পাপোয়ান বলেন, “এই বীমা কর্মসূচি কৃষকদের আয়ের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ক্ষতি থেকে সুরক্ষা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সরকারের লক্ষ্য হলো বীমার প্রিমিয়ামের একটি বড় অংশ ভর্তুকি দেওয়ার মাধ্যমে কৃষকদের আর্থিক বোঝা কমানো।”
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে শুধুমাত্র ক্ষতি মোকাবিলা করা নয়, বরং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা শক্তিশালী করাও সম্ভাব্য। মন্ত্রকের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রায় ১০,০০০ কৃষক এই বীমার আওতায় এসেছিলেন এবং এ বছর এই সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী প্রেরণ করেছেন যে কৃষকরা সংশ্লিষ্ট নথি এবং আবেদনের মাধ্যমে স্থানীয় কৃষি অফিসে আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া, অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়াটি আরও সহজ এবং দ্রুত করা হয়েছে।
এই উদ্যোগটি আর্মেনিয়ার কৃষি খাতকে আরও স্থিতিশীল এবং ঝুঁকিমুক্ত করার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বীমা কর্মসূচি চালু হওয়ায় ছোট ও মাঝারি কৃষকদের আয়ের নিরাপত্তা বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদে ফসলের উৎপাদন বাড়বে।
