ভোট দিয়ে জেমস বললেন, শান্তি ও কল্যাণ চাই দেশের

আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। দেশের বহু পরিচিত শিল্পী, গায়ক-গায়িকা এবং নির্মাতা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করে সাধারণ নাগরিকের মতো ভোট দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা ভোটকেন্দ্রে দেওয়া ছবি ও অনুভূতি শেয়ার করেছেন। এদিনের অন্যতম নজরকাড়া ভোটার ছিলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী এবং ব্যান্ড “নিউইজ” এর প্রধান কণ্ঠস্বর মাহফুজ আনাম জেমস।

জেমস ভোট দিয়েছেন বিকেল সাড়ে তিনটায় রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার বারিধারা স্কলার স্কুল অ্যান্ড কলেজে, যা ঢাকা-১৭ নির্বাচনী আসনের অন্তর্ভুক্ত। নির্বাচনী কেন্দ্রে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে ঘিরে রাখেন ভক্তরা। এ সময় তিনি ভোটার ও নির্বাচনকর্মীদের সঙ্গে সেলফির আবদারও মিটিয়েছেন।

ভোট দেওয়ার পর জেমস বলেন,

“সুন্দর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াই আমাদের দেশ। আশা করি, সামনে যে সরকার আসুক, এ ধারা অব্যাহত থাকবে। দেশে যেন শান্তি আসে, মানুষের জীবন যেন ভালো থাকে।”

তিনি ভোট কেন্দ্রের পরিবেশ এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রশংসাও করেছেন। জেমস বলেন,

“সবকিছু খুবই স্বচ্ছ ও স্মুথ ছিল। এলাম, স্লিপ নিলাম, ভোট দিলাম—কোনো ঝামেলা হয়নি। এই সুষ্ঠু ভোটের আয়োজনের জন্য বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে ধন্যবাদ।”

ভোট দেওয়ার পরে জেমস ব্যান্ডের অন্যান্য সদস্যদেরও ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। ফোনে অনেক সদস্যকে নিজের ভোট দেওয়ার খবর দিয়েছেন এবং বাকিদের খোঁজখবরও নিয়েছেন।

এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা ১৭ আসনে মোট নিবন্ধিত ভোটার ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৬০০ জন, যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮০০ এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮০০।

ভোটার তথ্যসংখ্যা
মোট ভোটার3,45,600
পুরুষ ভোটার1,75,800
নারী ভোটার1,69,800
ভোটগ্রহণ কেন্দ্রবারিধারা স্কলার স্কুল অ্যান্ড কলেজ
জেলাঢাকা
নির্বাচনী আসনঢাকা-১৭

শিল্পী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিত্বদের ভোট দেওয়ার মুহূর্ত সাধারণ জনগণের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে জেমসের মতো জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বরা যখন ভোট দিয়ে সচেতন নাগরিকত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন, তা সাধারণ মানুষকে ভোট দেওয়ার প্রতি উদ্বুদ্ধ করছে।

জেমসের মতো শিল্পীরা ভোটের মাধ্যমে দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা দিচ্ছেন। এদিনের ভোটগ্রহণ পুরো দেশেই শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং সুষ্ঠু ভোটাভুটি নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা তৎপর রয়েছেন।

এভাবেই এই জাতীয় নির্বাচনে ভোটাররা তাদের অধিকার ব্যবহার করছেন এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুদৃঢ় করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হচ্ছেন।