আগামী বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য ১৩তম জাতীয় সংসদীয় নির্বাচনের পূর্বে নির্বাচন কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে। কমিশনের রবিবার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভোটারদের জন্য ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের মোবাইল ফোন বহন করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রের চারশ’ গজ (৪০০-yard) এর মধ্যে প্রযোজ্য থাকবে, যাতে নির্বাচনের নিরাপত্তা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সাধারণ ভোটারদের জন্য এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হলেও তিনটি নির্দিষ্ট প্রফেশনাল ক্যাটাগরির জন্য ব্যতিক্রম রয়েছে, যারা অনুমোদিত মোবাইল ফোন বহন করতে পারবেন:
ভোটকেন্দ্রের সভাপতি/Presiding Officer
কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা
নির্বাচন নিরাপত্তা ২০২৬ অ্যাপে নিবন্ধিত দুইজন আনসার বা গ্রামীণ প্রতিরক্ষা দল (VDP) সদস্য
ভোটগ্রহণ সকাল ৭:৩০ থেকে বিকাল ৪:৩০ পর্যন্ত চলবে। এই নির্বাচনে দেশের ৬৪টি জেলায় ৪২,০০০-এরও বেশি ভোটকেন্দ্র এবং প্রায় ২৫০,০০০টি ভোটকক্ষ স্থাপন করা হয়েছে।
নিচের টেবিলে নির্বাচনী তথ্য সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো:
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| ভোটের দিন | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ |
| ভোটগ্রহণ সময় | ০৭:৩০ – ১৬:৩০ |
| মোট জেলা | ৬৪ |
| মোট ভোটকেন্দ্র | ৪২,০০০+ |
| মোট ভোটকক্ষ | প্রায় ২৫০,০০০ |
| সংসদীয় আসন | ৩০০ (শেরপুর-৩ ব্যতীত) |
| অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল | ৫১ নিবন্ধিত দল |
একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো, শেরপুর-৩ আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে একজন প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায়। মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল এই সংসদীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।
নির্বাচন কমিশন ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং সম্পূর্ণরূপে এই বিধিনিষেধ মানার জন্য অনুরোধ করেছে। বিশেষভাবে ভোটারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন বহন না করার মাধ্যমে ভোটের স্বচ্ছতা রক্ষা এবং ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বজায় রাখা সম্ভব হবে।
এই নির্দেশনা ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর কমিশনের গুরুত্বারোপের প্রতিফলন, যাতে বৈদ্যুতিন ডিভাইসের হস্তক্ষেপ ছাড়া নির্বাচনের প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। ভোটারদের অনুরোধ করা হচ্ছে যে তারা ভোটের দিন আগে থেকেই এই নিয়মগুলোর সঙ্গে পরিচিত হোক, যাতে কোনো ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন না হতে হয়।
