সরকার সম্প্রতি ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিনকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। এই নিয়োগ ২৯ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কার্যকর হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির রেক্টর (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালনরত ড. শাহাবুদ্দিনকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে পদায়ন করা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে ড. শাহাবুদ্দিন দেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, নদী নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু অভিযোজন ও সেচ ব্যবস্থাপনার নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তিনি পূর্বে জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির রেক্টর হিসেবে প্রশাসনিক দক্ষতা, কর্মপদ্ধতি উন্নয়ন এবং নীতি বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।
একই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ড. মো. কামরুজ্জামানকে জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির রেক্টর (সচিব) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই পদান্তরের ফলে সরকারি প্রশাসনিক কার্যক্রমের সমন্বয় আরও শক্তিশালী হবে এবং নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া দ্রুত ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নতুন নিয়োগের বিস্তারিত তথ্য নিম্নে সংক্ষিপ্তভাবে টেবিল আকারে উপস্থাপন করা হলো:
| পদ ও নাম | নতুন দায়িত্ব / পদায়ন | পূর্ববর্তী দায়িত্ব | পদমর্যাদা | প্রজ্ঞাপন তারিখ |
|---|---|---|---|---|
| ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিন | পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব | জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির রেক্টর | সচিব | ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ |
| ড. মো. কামরুজ্জামান | জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির রেক্টর | পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক | সচিব (অতিরিক্ত) | ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ |
বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই পদান্তরের ফলে দেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রমে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যকর প্রশাসনিক পরিকল্পনা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ড. শাহাবুদ্দিনের দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং নীতি বাস্তবায়নের দক্ষতা দেশের জলসম্পদ ব্যবস্থাপনায় যুগোপযোগী ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সরকারের লক্ষ্য হলো পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও ফলপ্রসূ করা, যাতে নদী উন্নয়ন, সেচ ব্যবস্থা এবং জলসম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি ও পরিকল্পিত উন্নয়ন সম্ভব হয়। এই পদায়নের মাধ্যমে প্রশাসনিক কাঠামো ও নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সমন্বয় বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের জল সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করবে।
