বার্সেলোনা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিল দাপুটে পারফরম্যান্সে। বুধবার কোপেনহেগেনের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ম্যাচে হান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা ৪-১ গোলের জয়ের মাধ্যমে তাদের শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করে। যদিও ম্যাচের শুরুতে অপ্রত্যাশিত ধাক্কা খায় কাতালানরা, তবে দ্বিতীয়ার্ধের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে তারা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে বড় জয় নিশ্চিত করে।
ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে ড্যানিশরা এগিয়ে যায়। ১৭ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ভিক্টর দাদাসন মোহামেদ এলইয়নুসির নিখুঁত থ্রু পাসে বার্সার হাই লাইন ভেঙে একা গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়া-র সামনে দাঁড়িয়ে গোল করেন। প্রথমার্ধে ৭৫ শতাংশের বেশি বল দখলে রাখলেও বার্সেলোনা গোলের দেখা পায়নি। রবার্ট লেভানদোস্কি ও এরিক গার্সিয়া এর একাধিক প্রচেষ্টা গোলরক্ষক দোমিনিক কোটারস্কি আটকান।
দ্বিতীয়ার্ধে খেলায় পরিবর্তন আসে। ম্যাচের ৪৮ মিনিটে দানি ওলমোর থ্রু পাস থেকে লামিনে ইয়ামাল দারুণ অ্যাসিস্ট দেন এবং রবার্ট লেভানদোস্কি সমতা ফেরান। এটি তার চ্যাম্পিয়নস লিগ ক্যারিয়ারে ১০৬তম গোল।
এরপর মাত্র ছয় মিনিটের মধ্যে ম্যাচ শেষ করে দেয় বার্সা। ৫৪ মিনিটে ইয়ামালের শট ডিফ্লেকশনে জালে যায়। কিছুক্ষণ পর ইয়ামালের ক্রস থেকে ফাউল প্রাপ্ত লেভানদোস্কি পেনাল্টি দেন, যা নিশ্চিত করেন রাফিনিয়া। ৭৫ মিনিটে বদলি হিসেবে নামা মার্কাস রাশফোর্ড চমকপ্রদ ফ্রি-কিকে চতুর্থ গোল করে ব্যবধান আরও বাড়ান।
এই জয়ের ফলে বার্সেলোনা লিগ পর্বে পঞ্চম স্থানে থেকে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে। নকআউট পর্বে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস পিএসজি বা নিউক্যাসল ইউনাইটেড।
নিচের টেবিলে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সংক্ষেপে দেওয়া হলো:
| সময় (মিনিট) | গোলকারী / ঘটনা | বর্ণনা |
|---|---|---|
| ৪’ | ভিক্টর দাদাসন | কোপেনহেগেন এগিয়ে যায় |
| ৪৮’ | রবার্ট লেভানদোস্কি | লামিনে ইয়ামাল অ্যাসিস্ট, গোল সমতা ফেরে |
| ৫৪’ | লামিনে ইয়ামাল | শট ডিফ্লেকশনে গোল |
| ৬০’ | রাফিনিয়া | পেনাল্টি থেকে তৃতীয় গোল |
| ৭৫’ | মার্কাস রাশফোর্ড | ফ্রি-কিক থেকে চতুর্থ গোল |
বার্সেলোনার এই জয়ে স্পষ্ট হয়ে গেল তাদের আক্রমণাত্মক শক্তি ও পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা, যা নকআউট পর্বে বড় সুবিধা দিতে পারে।
