সরাইল-আশুগঞ্জে রুমিনের আবেগঘন বরণসভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সরাইল উপজেলার চুনটা ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও সমর্থনের বন্যায় আবেগে ভেঙে পড়েন। দীর্ঘ নির্বাচনী প্রচারণার পরও এতটুকু মানুষের ভালোবাসা ও স্নেহের প্রত্যাশা তাঁর ছিল না। অনুষ্ঠানে তার চোখে জল, কণ্ঠে কৃতজ্ঞতার আবেশ এবং উপস্থিত মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসার অনুভূতি স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।
রুমিন ফারহানা তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আপনারা যেভাবে আমাকে বরণ করেছেন, আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। আমি শক্ত মনের মানুষ হলেও আজকের এই মুহূর্তে আমার চোখে পানি এসেছে। আমার মনে হচ্ছে, আমার বাবা ও দাদা-দাদির দোয়া থাকায়ই আমি এই সম্মান পাচ্ছি। সত্যি বলতে, আমি নিজেকে এতটা ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য মনে করি না।”
তিনি আরও যোগ করেন, “সরাইল ও আশুগঞ্জের মানুষ যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছেন, আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাকে সেই আস্থা রক্ষা করার তৌফিক দান করেন। যদি আমি এমপি নির্বাচিত হতে পারি, তবে এই দুই উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলব। আমি চাই, মানুষ যেন গর্ব অনুভব করে যে, তাদের প্রতিনিধি তাদের স্বপ্ন ও আশা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম।”
উঠান বৈঠকে শতাধিক নারী-পুরুষ, তরুণ-প্রবীণ ও স্থানীয় কর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রার্থীর আবেগঘন মুহূর্তে সবাই একত্রিত হয়ে ভালোবাসা, সমর্থন ও প্রত্যাশার নিখুঁত এক মিশ্রণ তৈরি করেন। অনেকেই আবেগে কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে হাততালি ও শুভেচ্ছা জানান।
নিচের টেবিলে বৈঠকের মূল তথ্য সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| অনুষ্ঠান | উঠান বৈঠক |
| তারিখ | ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ |
| সময় | সন্ধ্যা ৫টা থেকে ৭টা |
| স্থান | রসুলপুর গ্রাম, চুনটা ইউনিয়ন, সরাইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া |
| অংশগ্রহণকারী | প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, স্থানীয় কর্মী ও সাধারণ মানুষ (প্রায় ১৫০ জন) |
| প্রধান বক্তব্য | স্থানীয় মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা, আস্থা রক্ষা, মডেল উপজেলা গঠনের প্রতিশ্রুতি |
| আবেগঘন মুহূর্ত | প্রার্থী কান্নায় ভেঙে পড়েন, উপস্থিতরা আবেগে আপ্লুত |
| সামাজিক প্রভাব | মানুষের মধ্যে প্রার্থীর মানবিকতা ও দৃঢ় সংকল্পের প্রশংসা, নির্বাচনী প্রচারণা আরও শক্তিশালী হওয়া |
স্থানীয়রা মনে করছেন, রুমিন ফারহানার মানবিকতা, বিনয় ও দৃঢ় প্রতিশ্রুতি মানুষের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তার সরাসরি সংযোগ এবং আবেগঘন বক্তব্য নির্বাচনী প্রচারণাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। এমন উঠে আসা সম্পর্ক প্রার্থী ও ভোটারের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থা আরও দৃঢ় করছে।
উঠান বৈঠকটি কেবল একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ছিল না; এটি ছিল ভালোবাসা, আস্থা, প্রত্যাশা ও নির্বাচনী উত্তেজনার আবেগঘন মেলবন্ধন। এলাকাবাসী আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, রুমিন নির্বাচিত হলে সরাইল ও আশুগঞ্জে উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
