রাজধানীর গুলশানে গত বুধবার রাতে বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের গাড়িবহরে একটি রহস্যময় ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একটি সাদা রঙের হিরো হাংক মোটরসাইকেল থেকে আসা এক ব্যক্তি চলন্ত বুলেটপ্রুফ গাড়ির বাহিরে অজ্ঞাত কাগজ সেঁটে দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনাটি রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে গুলশানের ৬৫ নম্বর সড়কে ঘটে।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য:
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| সময় | বুধবার রাত ১১:৪০ মিনিট |
| স্থান | গুলশান, ঢাকা, ৬৫ নম্বর সড়ক |
| যানবাহন | সাদা রঙের হিরো হাংক মোটরসাইকেল |
| বাইকার | অজ্ঞাতপরিচয়, দ্রুত পালিয়ে গেছে |
| কাগজের অবস্থা | কোনো লেখা নেই |
| গাড়িবহর নিরাপত্তা | বিএনপির নিজস্ব নিরাপত্তা দল (CSF) উপস্থিত |
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম জানায়, ঘটনার সময় গাড়িবহরে তারেক রহমানের নিরাপত্তা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তবে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি; পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, “ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজে দেখা গেছে একজন বাইকার গাড়ির কাছে এসে কাগজ লাগিয়ে চলে যাচ্ছেন। ভিডিওর মান কম হওয়ায় বাইকারের পরিচয় সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করা যায়নি। আমরা মোটরসাইকেল ও আরোহী শনাক্তের চেষ্টা করছি। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনার প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি একটি সতর্কবার্তা অথবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কাজ হতে পারে। তবে পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, আপাতত এটি ‘গুরুতর তল্লাশি ও তদন্তাধীন’ হিসেবে রাখা হয়েছে।
তদন্তের অগ্রগতি ও বাইকারের পরিচয় নিশ্চিত হলে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা দায়ের ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। স্থানীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের ঘটনায় দ্রুত সিসিটিভি ও অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসল ব্যক্তিকে শনাক্ত করা যায়।
এতে করে ঢাকা শহরের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা প্রেক্ষাপটে নতুন ধরনের সতর্কতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
