চট্টগ্রাম নগরীতে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মো. নুর হাসান (২৮)কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭। র্যাবের বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে শনিবার সন্ধ্যায় তাকে সাগরিকা বিসিক শিল্পনগরী এলাকা থেকে আটক করা হয়।
রোববার (০৪ জানুয়ারি) র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এআরএম মোজাফ্ফর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃত নুর হাসান আকবরশাহ থানায় দায়ের করা একটি ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলার মূল আসামি। গ্রেপ্তারের পর তাকে আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী আকবরশাহ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, নুর হাসান খুলশী থানাধীন মাস্টার লেন এলাকার মো. মানিকের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আত্মগোপনে থাকার কারণে মামলাটি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত আদালতে বিচার প্রক্রিয়ায় দেরি করেছিল। তবে র্যাবের বিশেষ দল তার অবস্থান সনাক্ত করে তৎক্ষণাৎ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
র্যাবের অভিযানের বিস্তারিত:
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| আসামির নাম | মো. নুর হাসান |
| বয়স | ২৮ বছর |
| পিতার নাম | মো. মানিক |
| ঠিকানা | মাস্টার লেন, খুলশী থানা, চট্টগ্রাম |
| গ্রেপ্তারের তারিখ | ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ |
| গ্রেপ্তারের স্থান | সাগরিকা, বিসিক শিল্পনগরী, পাহাড়তলী থানা এলাকা |
| মামলা | ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি (আকবরশাহ থানা) |
| হস্তান্তর | আকবরশাহ থানা, চট্টগ্রাম |
| গ্রেপ্তারের সংস্থা | র্যাব-৭ |
এ নিয়ে র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এআরএম মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, “অভিযানটি দীর্ঘ পরিকল্পনার অংশ ছিল। নুর হাসান অনেকদিন ধরে আত্মগোপনে থাকার পরও আমাদের গোয়েন্দা দল তার অবস্থান সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। আইনানুগভাবে তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা আশা করি, এই ধাপ ন্যায়বিচারের পথে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সাগরিকা বিসিক শিল্পনগরী এলাকা সাধারণত শান্তিপূর্ণ হলেও, এই ধরনের ঘটনা এলাকায় শোক ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত কাজ করার কারণে স্থানীয় জনগণ রক্ষিত মনে করছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, নুর হাসান বিভিন্ন সময়ই ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি সম্পর্কিত অপরাধে জড়িত থাকার কথা প্রকাশ পেয়েছে। তার গ্রেপ্তারের পর আশা করা হচ্ছে, বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত এগোবে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
