গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স পিএলসি ২০২৫ সালের সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস (SAFA) ‘বেস্ট প্রেজেন্টেড অ্যানুয়াল রিপোর্টস’ (BPA) অ্যাওয়ার্ডে ইন্স্যুরেন্স ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক অর্জন করেছে। এটি কোম্পানিটির জন্য দ্বিতীয়বারের মতো ধারাবাহিক বিজয়, যা তাদের আর্থিক প্রতিবেদনের স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা ও উৎকর্ষতার প্রতি অঙ্গীকারকে পুনরায় প্রমাণ করেছে।
সম্প্রতি পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে গ্রিন ডেল্টার সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও কোম্পানি সেক্রেটারি মোঃ ওলিউল্লাহ খান পুরস্কার গ্রহণ করেন। SAFA BPA অ্যাওয়ার্ডে এই বছর দক্ষিণ এশিয়ার ৮২টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করে।
গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স পিএলসি এই ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক জেতে একমাত্র বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এটি শুধু কোম্পানির জন্য নয়, বাংলাদেশের কর্পোরেট গভর্ন্যান্স ও আর্থিক প্রতিবেদনমানের আন্তর্জাতিক মর্যাদা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স পিএলসি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে তারা বিশ্বমানের কর্পোরেট প্রতিবেদন নীতি অনুসরণ করে চলবে। প্রতিষ্ঠানটি স্বচ্ছতা, নৈতিকতা এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমে আর্থিক প্রতিবেদনকে আরও উন্নত করার লক্ষ্য রাখে। ধারাবাহিক বিজয়টি কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদী প্রচেষ্টা এবং ইন্স্যুরেন্স শিল্পে নতুন মানদণ্ড স্থাপনের প্রতিফলন।
SAFA BPA অ্যাওয়ার্ড দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার হিসেবে গণ্য করা হয়। এই অ্যাওয়ার্ড এমন প্রতিষ্ঠানকে সম্মানিত করে, যারা আর্থিক প্রকাশ, গভর্ন্যান্স, টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদন এবং সামগ্রিক প্রেজেন্টেশনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
নিচের টেবিলে ২০২৫ সালের SAFA BPA অ্যাওয়ার্ডে ইন্স্যুরেন্স ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণকারী প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হলো:
| প্রতিষ্ঠান | দেশ | পুরস্কার | মন্তব্য |
|---|---|---|---|
| Green Delta Insurance PLC | বাংলাদেশ | স্বর্ণ | একমাত্র বাংলাদেশি স্বর্ণজয়ী |
| Jubilee Life Insurance | পাকিস্তান | রূপা | শক্তিশালী প্রতিবেদনের জন্য স্বীকৃত |
| National Insurance Company | ভারত | রূপা | আর্থিক স্বচ্ছতায় মানদণ্ড স্থাপন |
| Sri Lanka Insurance PLC | শ্রীলঙ্কা | ব্রোঞ্জ | প্রতিবেদন উপস্থাপন চমৎকার |
গ্রিন ডেল্টার এই সাফল্য দেশের কর্পোরেট রিপোর্টিং এবং আর্থিক স্বচ্ছতার মান বৃদ্ধিতে নতুন উদাহরণ স্থাপন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক উৎকর্ষতার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের উপস্থিতি আরও দৃঢ় হয়েছে।
