ক্রিকেটে ‘রিটায়ার্ড হার্ট’ এবং ‘রিটায়ার্ড আউট’—দুটি ধারণাই বহু পুরোনো। তবে ‘কৌশলগতভাবে’ একজন সেট ব্যাটসম্যানকে তুলে নেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। আইএল টি–টোয়েন্টিতে আজ সেই বিরল ঘটনার মুখোমুখি হলেন সাকিব আল হাসান। ১২ বলে ১৬ রান করে যখন তিনি ইতিমধ্যে রান তুলছিলেন ও সেট হচ্ছিলেন, ঠিক তখনই তাঁকে ডাগআউট থেকে তুলে নেওয়া হয়।
ক্রিকেট আইন অনুযায়ী রিটায়ার্ড আউট হলে পরে আর ব্যাট করতে নামা যায় না। অর্থাৎ এটি ইনজুরির মতো নয় যে পরে ফিরে আসা সম্ভব। তাই দল সাধারণত এটি ব্যবহার করে না। কিন্তু টি-টোয়েন্টির বদলে যাওয়া কৌশলই এবার সাকিবকে রিটায়ার্ড আউট করিয়েছে।
অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, শেষ চার ওভারে রানরেট বাড়াতে পোলার্ডকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত কৌশলগতভাবে সঠিক ছিল। তবে প্রশ্ন উঠেছে—যদি পোলার্ড ব্যর্থ হন? সেটিই হয়েছে। তিনি ২ বলে মাত্র ৪ রান করে ফিরে গেছেন।
এদিকে সাকিবের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়কে তুলে নেওয়া নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে অনেকে বলছেন—“একজন বিশ্বের শীর্ষ অলরাউন্ডারকে এভাবে উঠিয়ে দেওয়া কি ঠিক হয়েছে?” আবার অনেকে মনে করছেন—“দলই আগে, ব্যক্তিগত কিছু নয়।”
এই ঘটনার সাথে যুক্ত হয়েছে আরও দুটি বিষয়—
১️⃣ সাকিব বল হাতে ব্যর্থ (২ ওভারে ২৭ রান)
২️⃣ সাকিব সেট ব্যাটসম্যান ছিলেন
ফলে অনেকেই বলছেন সিদ্ধান্তটি ১০০% সফল হয়নি।
তবে ম্যাচের রোমাঞ্চ কমেনি। ১৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শারজা ওয়ারিয়র্স রাজার ব্যাটে দারুণ লড়াই করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র ৪ রানে হার মেনে নেয়।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন—সাকিবের মতো ক্রিকেট মস্তিষ্ক সম্পন্ন খেলোয়াড় নিশ্চয়ই দলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হয়েই মাঠ ছেড়েছেন। এ সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে কৌশলগত রিটায়ার্ড আউটের ব্যবহার নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি করবে।
