ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে, এবার সরাসরি অংশগ্রহণের ঘোষণা দিল চেচেন নেতৃত্ব। রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল চেচনিয়া শুরু থেকেই ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়াকে সমর্থন করে আসছে। এবার গ্রোজনিতে ড্রোন হামলার পর চেচেন প্রেসিডেন্ট রমজান কাদিরভ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন—“প্রতিশোধ আসছে।”
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে যুদ্ধের ভৌগোলিক পরিধি বেড়ে গেছে। ইউক্রেন এখন শুধু রাশিয়ার মুখোমুখি নয়, চেচেন বিশেষ বাহিনীও সরাসরি সংঘাতে যোগ দেবে। এই বাহিনী মূলত কাদিরভের ব্যক্তিগত শক্তি—তাদের ‘কাদিরভসি’ নামে পরিচিত বিশেষ বাহিনী আধুনিক অস্ত্র, চরম অনুগত এবং ভয়ঙ্কর মনোবলের জন্য পরিচিত।
কাদিরভ বলেছেন, ইউক্রেনের ‘নব্য-নাৎসি অবকাঠামো’ ধ্বংস করা হবে। এতে পরিষ্কার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা সাইবার হামলার মতো বহুমুখী অপারেশন করতে পারে চেচেন বাহিনী। ইউরোপীয় রাজনৈতিক মহলে এর ফলে নতুন উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। ইউক্রেন ইতিমধ্যেই ন্যাটোর সমর্থন পাচ্ছে; এখন চেচেন হস্তক্ষেপ সরাসরি রাশিয়ার যুদ্ধবাহিনীর শক্তি দ্বিগুণ করবে।
গ্রোজনির বহুতল ভবনে ড্রোন হামলাকে বিশেষজ্ঞরা ‘যুদ্ধের নতুন কৌশলগত সতর্কবার্তা’ বলে মনে করছেন। ইউক্রেন হয়তো এভাবে রাশিয়াপন্থী অঞ্চলগুলোকে অস্থির করতে চাইছে। কিন্তু এর ফলে কাদিরভের প্রতিক্রিয়া গোটা যুদ্ধে নতুন মাত্রা যোগ করবে সেটাও নিশ্চিত।
