হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রপ্তানি কার্গোতে ৪০০০ ইয়াবা ট্যাবলেট ধরা পড়ল

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা ও যাত্রীসেবায় অবদান রাখা এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) বিভাগ ক্রমাগত সেবা প্রদান করছে। এই বিভাগে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা কর্মী, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ ও আনসার সদস্যরা মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

০৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সকাল আনুমানিক ০৯০৫ ঘটিকায় হ্যাঙ্গার গেট-৮-এ রপ্তানি কার্গোর নিরাপত্তা তল্লাশি চলাকালীন সময়ে এভসেক সদস্যরা ডাক বিভাগের মাধ্যমে রপ্তানিকৃত মালামের ভিতরে ৪০০০ পিস কমলা রঙের ট্যাবলেট শনাক্ত করেন। এই ট্যাবলেটের বাণিজ্যিক নাম “ইয়াবা”

তদন্তে জানা যায়, এই ইয়াবাগুলো ফ্রান্সের প্যারিস শহরে পাঠানোর জন্য ডাক বিভাগে বুকিং করা হয়েছিল। এভসেক সদস্যরা ঘটনাটি শনাক্ত করার পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ দপ্তরকে অবহিত করেন। দপ্তরের কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

বেবিচক (বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ) জানায়, স্ক্রিনারের দায়িত্বশীলতা ও সতর্কতার কারণে এই চোরাচালানের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এই ঘটনায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সক্ষমতা ও সতর্কতার গুরুত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

নিচে ঘটনার সংক্ষিপ্ত তথ্য টেবিল আকারে তুলে ধরা হলো:

বিষয়তথ্য
ঘটনা স্থানহ্যাঙ্গার গেট-৮, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
তারিখ ও সময়০৩ ডিসেম্বর ২০২৫, সকাল ০৯:০৫
আটক করা পদার্থকমলা রঙের ৪০০০ পিস ইয়াবা
গন্তব্য স্থানপ্যারিস, ফ্রান্স
অবহিত সংস্থামাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ দপ্তর
নিরাপত্তা দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাএভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) বিভাগ
অংশগ্রহণকারী বাহিনীবেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, বিমান বাহিনী, পুলিশ, আনসার
মূল অবদানস্ক্রিনারের দায়িত্বশীলতা ও সতর্কতার কারণে চোরাচালান ব্যর্থ

বেবিচক জানিয়েছে, এ ধরনের নিয়মিত তল্লাশি ও সতর্কতা ব্যবস্থা বিমানবন্দরের নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া এই ঘটনায় প্রমাণিত হলো, আন্তর্জাতিক ডাক ও রপ্তানিমালার মাধ্যমে চোরাচালান প্রতিরোধে স্মার্ট ও প্রক্রিয়াগত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর।

এভসেক বিভাগের সতর্কতা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার দ্রুত প্রতিক্রিয়ার কারণে একমাত্র অব্যাহত নিরাপত্তা বজায় রেখে দেশের সুনাম রক্ষা সম্ভব হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক।