খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ই নভেম্বর ২০২৫, ২:২ এএম

প্রতিটি শহরে এমন কিছু অনুষ্ঠান হয়, যা শিল্পপ্রেমীদের হৃদয়ে দীর্ঘ সময় ধরে জায়গা করে নেয়। গুলশান–১, ১৩৮ নম্বর রোডে শুক্রবারের সংগীতসন্ধ্যাটি ঠিক এমনই এক মুহূর্ত। ফাঁকা রেস্তোরাঁটি পরিণত হয় বাংলা গানের মঞ্চে, যেখানে নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা চিরায়ত গানকে জীবন্ত করে তোলেন।
অনুষ্ঠানটি ‘তারা আনপ্লাগড’ নামে পরিচিত। নন্দিতা ও শুভেন্দু ‘মোজি অ্যান্ড কোম্পানি’ এবং অনিমেষ রায় গানের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করেন। তাদের পরিবেশনায় থাকল প্রাচীন দিনের গান যেমন ‘ময়ূরকণ্ঠী’, ‘দাঁড়ালে দুয়ারে’, ‘আকাশ এত মেঘলা’, ‘এ গানে প্রজাপতি’ এবং ‘লাল পাহাড়ের দেশে’। তিনজন মিলে পরিবেশন করেন ‘আহা কী আনন্দ’ এবং ‘কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়’।
বাদ্যযন্ত্রও নজরকাড়া। দশম শ্রেণির ফুলঝুরি সরোদে পারদর্শিতা দেখান, বাঁশিতে কামরুল, স্যাক্সোফোনে রাহিন, কী–বোর্ডে অন্তর, গিটারে মাতিস এবং ড্রামসে সুদীপ্ত। প্রতিটি সুর আধুনিক যন্ত্রের সমন্বয়ে হৃদয়স্পর্শী হয়ে ওঠে।
‘তারা’ প্রচারণার লক্ষ্য নতুন প্রজন্মের হাত ধরে বাংলা সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করা। প্রতিষ্ঠাতা জান্নাতুল ফেরদৌস মুন বলেন, “আমরা চাই নতুন প্রতিভাধর শিল্পীরা নতুন আঙ্গিকে বাংলা গান উপস্থাপন করুক। এটি তাদের জন্য একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম।”
আগামী ডিসেম্বরে আরও দুটি অনুষ্ঠানের আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা নতুন শিল্পীদের জন্য আরও সুযোগ এবং দর্শকদের জন্য আরও আনন্দের সন্ধ্যা নিশ্চিত করবে।
মন্তব্য