বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে মৃত্যুর খবরে বিনোদন জগত শোকাহত। মৃত্যুর খবরের পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে চলচ্চিত্রপ্রেমীরা এবং তারকারা একে একে শ্রদ্ধা জানিয়েছে। বিশেষ করে কিং খান শাহরুখ খান তার স্টাইলেই আবেগঘন একটি পোস্টের মাধ্যমে প্রিয় অভিনেতাকে বিদায় জানান।
শাহরুখ খান একটি পুরনো ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, “শান্তিতে ঘুমান ধরমজি। আপনি আমার কাছে বাবার মতো ছিলেন। আপনি যেভাবে আমাকে আশীর্বাদ ও ভালোবাসা দিয়েছেন, তার জন্য আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ।” তিনি আরও যোগ করেন, “এটি শুধু আপনার পরিবারের জন্য নয়, বরং সারা পৃথিবীর সিনেমা প্রেমী মানুষদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। আপনি অমর হয়ে থাকবেন, এবং আপনার আত্মা চিরকাল বেঁচে থাকবে আপনার চলচ্চিত্র এবং সুন্দর পরিবারের মাধ্যমে। আপনাকে সবসময় ভালোবাসব।”
শাহরুখের পাশাপাশি বলিউডের প্রসিদ্ধ অভিনেতা ও পরিচালক ফারহান আখতারও ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “এটি সমগ্র চলচ্চিত্র জগতের জন্য এক বিরাট ক্ষতি। যারা সিনেমা তৈরি করেন এবং যারা সিনেমা দেখেন, তাদের জন্যও এটি এক গভীর শোক। ধর্মজি চিরকাল অপূরণীয় থাকবেন।”
ফারহান আখতার আরও বলেন, “ছয় দশক ধরে বিনোদন দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমরা অত্যন্ত ভাগ্যবান যে আমরা আপনার উষ্ণতা, দয়া, উদারতা, আকর্ষণ, তীব্রতা এবং বুদ্ধিমত্তা অনুভব করেছি—এটি পর্দার আড়ালে এবং বাইরে ছিল। দেওল পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।”
ধর্মেন্দ্র অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে এক বিশেষ স্থান করে নিয়েছিলেন। তিনি অভিনয় করেছেন শতাধিক চলচ্চিত্রে এবং তার অভিনয়ধারা বহু প্রজন্মের সিনেমাপ্রেমীর হৃদয়ে অম্লান হয়ে আছে। বলিউডে তার অবদানকে কিংবদন্তি হিসেবে গণ্য করা হয়, এবং তার স্টাইল, চরিত্রনির্মাণ এবং ক্যারিশমা আজও তরুণ অভিনেতাদের জন্য প্রেরণা হিসেবে রয়ে গেছে।
সমাজমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অভিনেতার শোক সন্তপ্ত পরিবার এবং ফ্যানরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা পোস্টের মাধ্যমে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধর্মেন্দ্রের মতো কিংবদন্তি একজন ব্যক্তির চলে যাওয়া শুধু চলচ্চিত্র নয়, সমগ্র সংস্কৃতি জগতের জন্যও একটি শূন্যতার সৃষ্টি করেছে।
এছাড়া, বিভিন্ন সময়ের বলিউড তারকা, নির্মাতা এবং চলচ্চিত্র সংস্থা এই ক্ষতি নিয়ে শোক প্রকাশ করেছে। ধর্মেন্দ্রের জীবন ও কর্মচক্রকে স্মরণ করে বলা হচ্ছে, তার চলচ্চিত্র ও মানবিক মূল্যবোধ আজও প্রজন্মের জন্য দিকনির্দেশক।
