সুপ্রিম কোর্টে নতুন ছুটির ব্যবস্থাপনা

সুপ্রিম কোর্টের অধস্তন আদালতের দেওয়ানি ছুটি এবার টানা এক মাসের পরিবর্তে দুই দফায় ভাগ করা হবে। ২০২৬ সাল থেকে কার্যকর এই নতুন ব্যবস্থার আওতায় ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ থেকে ১৫ জুন এবং ১৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত সোমবার বিকেল চারটায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে ‘ফুল কোর্ট সভা’ অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা অংশগ্রহণ করেন। সভার মূল এজেন্ডা ছিল অধস্তন আদালতের ছুটির সময়সূচি নির্ধারণ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা।

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রধান বিচারপতি সভায় উপস্থিত সকল বিচারপতিকে সচিবালয়ের কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ১৩ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মচারী নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন, ফলে সচিবালয়ের দৈনন্দিন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

এছাড়া সভায় জানানো হয় যে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমও দ্রুত এগিয়ে চলেছে। রেকর্ড ভবনের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর সচিবালয়ের কার্যক্রম সেখানে স্থানান্তরিত হবে।

নতুন ছুটি ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচের টেবিলে দেওয়া হলো:

বিষয়বিস্তারিত তথ্য
অবকাশকালীন দেওয়ানি ছুটি১–১৫ জুন ও ১৭–৩১ ডিসেম্বর
কার্যকর হওয়ার বছর২০২৬
ফুল কোর্ট সভার তারিখ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (সোমবার)
সভার স্থানজাজেস লাউঞ্জ, সুপ্রিম কোর্ট
সভাপতিত্বকারীপ্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী
অংশগ্রহণকারীসুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি
সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারী১৩ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা ও প্রয়োজনীয় কর্মচারী
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনারেকর্ড ভবনের ২য়, ৩য় ও ৪র্থ তলায় সচিবালয় কার্যক্রম স্থানান্তর

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, নতুন ছুটি ব্যবস্থার মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রমে বিরতি কমানো হবে এবং একইসাথে আদালতের কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের বিশ্রামের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তটি আদালত ব্যবস্থাপনায় আরও সুশৃঙ্খলতা এবং কার্যকরী পরিবেশ নিশ্চিত করবে বলে প্রশাসন আশাবাদ প্রকাশ করেছে।