জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সোমবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের চত্বরে সাংবাদিকদের জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত করা বুথ পরিদর্শনের সময় এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে রোববার নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি নির্দেশনা সমস্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রেরণ করা হয়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন ভোটকেন্দ্রের চার শত গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে সাধারণ ভোটার ও অপ্রাসঙ্গিক ব্যক্তি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার, পুলিশ ইনচার্জ এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুই জন আনসার সদস্য এই বিধিনিষেধের বাইরে থাকবেন।
নির্দেশনায় আরও উল্লেখ আছে, ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এটি নির্বাচনের নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষতা রক্ষায় নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ।
নির্দেশনার মূল বিষয়গুলো নিচের টেবিলে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
| বিষয় | বিস্তারিত | মন্তব্য |
|---|---|---|
| মোবাইল ব্যবহারের অনুমতি | সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক | ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা নেই |
| মোবাইল নিষিদ্ধ | সাধারণ ভোটার ও অপ্রাসঙ্গিক ব্যক্তি | ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে |
| বিশেষ ছাড় | প্রিসাইডিং অফিসার, পুলিশ ইনচার্জ, দুই আনসার সদস্য | ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্য প্রযোজ্য |
| দায়িত্ব | রিটার্নিং কর্মকর্তা | আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে |
ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মোবাইল ব্যবহারের অনুমতি এই প্রক্রিয়াকে আরও দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ করবে।”
এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে এই নিয়মের ফলে ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় থাকবে, পাশাপাশি সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা তাদের কাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সক্ষম হবেন। এতে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং প্রকাশ্যতা আরও দৃঢ় হবে।
