রেজাউল করিম হীরা । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

রেজাউল করিম হীরা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য। তিনি জামালপুর-৫ থেকে ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি দ্বিতীয় হাসিনা মন্ত্রিসভার ভুমি মন্ত্রী ছিলেন।

রেজাউল করিম হীরা । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

রেজাউল করিম হীরা । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

প্রাথমিক জীবন

হীরা ১ ডিসেম্বর ১৯৪২ সালে জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম নুরুল হক চৌধুরী ও মাতার নাম জয়গুন্নেছা। তিনি মাধ্যমিক পর্যন্ত পডাশুনা করেছেন।

রাজনৈতিক জীবন

হীরা প্রথম সংসদ নির্বাচন করেন ১৯৯১ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে করলেও প্রথম সংসদ- সদস্য নির্বাচিত হন ১৯৯৬ সালের জুনে অনুষ্ঠিত ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। এর তিনি ২০০১ ও ২০০৮ সালে পুনরায় বিএনপির সিরাজুল হককে পরাজিত করে সংসদ -সদস্য নির্বাচিত হন।

২০০৯ সালে হাসিনা দ্বিতীয় মন্ত্রিসভা গঠন করলে তিনি ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচন বয়কট করলে মহাজোটের শরীক জাতীয় পার্টি-জেপির বাবর আলী খানকে ১৯ হাজার ৩৪৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।

১ মার্চ দশম সংসদের ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি মনোনয়ন পত্র দাখিল করলেও পরে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পাওয়া দলীয় নির্দেশে প্রত্যাহার করে নেন।

 

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

 

সংসদ- সদস্য

সংসদ- সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ- সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ- সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

পরিচিতি

সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ- সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ- সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।

বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ- সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ- সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ -সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

 

রেজাউল করিম হীরা । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

অবস্থান

সংসদ -সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন।

কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ- সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ -সদস্য হন।

সংসদ -সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ-সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।

আরও দেখুন:

Leave a Comment