রাত ৮ টার পর নির্বাচনী লাউডস্পিকার ব্যবহারে জরিমানা সার্জিসের প্রতিনিধিকে

পঞ্চগড়ে নির্বাচনী আইন অমান্যের কারণে জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)-এর নেতা সার্জিস আলমের প্রতিনিধিকে জরিমানা করা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যা ৮টা ৪৫ মিনিটে তেতুলিয়া উপজেলা, বুরাবুরি মার্কেটে আয়োজিত প্রচারণা সভায় অনুমোদিত সময়ের পর লাউডস্পিকার ব্যবহার করার অভিযোগে মোবাইল কোর্ট এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

জরিমানা করা ব্যক্তির নাম হাবিবুর রহমান, যিনি সার্জিস আলমের পঞ্চগড় জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও প্রতিনিধি। মোবাইল কোর্ট তাঁকে ৫,০০০ টাকা জরিমানা করেন, যা ঘটনাস্থলেই পরিশোধ করা হয়। এসময় সার্জিস আলম ও অন্যান্য দলীয় নেতা উপস্থিত ছিলেন।

মোবাইল কোর্ট সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সময়সীমার বাইরে প্রচারণা সভা পরিচালনার খবর পেয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। আদালত উল্লেখ করেছেন, এ ঘটনায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণবিধির ধারা ১৭(২) লঙ্ঘন হয়েছে। অভিযুক্তদের ভবিষ্যতে লাউডস্পিকার ব্যবহারের সময়সীমা কঠোরভাবে মানার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

তেতুলিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (জমি) এসএম আকাশ বলেন, “সন্ধ্যা ৮টার পর লাউডস্পিকার ব্যবহার করা নির্বাচন আচরণবিধি ভঙ্গের সমতুল্য, তাই আইন অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।”

নিচের টেবিলে এ কার্যক্রম সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

তারিখ ও সময়স্থানঅভিযুক্ত ব্যক্তিদলজরিমানা (BDT)লঙ্ঘিত বিধান
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:৪৫ pmবুরাবুরি মার্কেট, তেতুলিয়াহাবিবুর রহমান (সার্জিস আলমের প্রতিনিধি)জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)৫,০০০নির্বাচন আচরণবিধি ধারা ১৭(২)

মোবাইল কোর্ট সতর্ক করেছে, ভবিষ্যতে একই ধরনের লঙ্ঘন হলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই ধরনের কার্যকর মনিটরিং নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু রাখতে সহায়ক। পাশাপাশি, দ্রুত ও নিয়মিত নজরদারি প্রক্রিয়া ভোটারদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করছে এবং প্রার্থীদেরও সমান সুযোগ দিচ্ছে।

পঞ্চগড়-১ উপজেলার এই প্রক্রিয়াগত নজরদারি বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার প্রতিশ্রুতিকে প্রতিফলিত করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচনী আইন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সক্রিয় পদক্ষেপ ভোটার ও প্রার্থীর জন্য সমানভাবে নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ নিশ্চিত করছে।