রাজধানী ঢাকায় অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) বিভিন্ন থানার অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোট ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এই অভিযানকে কেন্দ্র করে মুগদা, বনানী ও রূপনগর থানায় পৃথক অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
ডিএমপি’র সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মুগদা থানা পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৯ জনকে আটক করে। গ্রেপ্তারদের বয়স ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে রয়েছে মো. সালমান আমেদ (১৯), রিফাত আলম মুন্না (১৮), মো. ইমন (২৫), মো. মামুন (২০), মো. মান্নান (২৩), মো. সুজন (৩২), নাইমুর রহমান আপন (২৮), মো. আছলাম (২৬) এবং মো. সাগর (২০)।
অপর দিকে, বনানী থানার পুলিশ একই দিনে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন মো. শরিফ মিয়া (২৮), মো. খোরশেদ আলম (৫০), মো. মুনছুর আলী (৩৫), মোহাম্মদ আলী (১৯), শাহিনুর হোসেন (২৫), মো. সবুজ মিয়া (২৩) এবং মো. রাকিব (২০)।
রূপনগর থানার পুলিশও দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে আটক করে। এদের মধ্যে নারীও রয়েছেন। গ্রেপ্তারদের বয়স ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।
নিচের টেবিলে তিনটি থানায় গ্রেপ্তারের বিস্তারিত দেখানো হলো:
| থানা | গ্রেপ্তার সংখ্যা | গ্রেপ্তারদের নাম ও বয়স |
|---|---|---|
| মুগদা | ৯ | মো. সালমান আমেদ (১৯), রিফাত আলম মুন্না (১৮), মো. ইমন (২৫), মো. মামুন (২০), মো. মান্নান (২৩), মো. সুজন (৩২), নাইমুর রহমান আপন (২৮), মো. আছলাম (২৬), মো. সাগর (২০) |
| বনানী | ৭ | মো. শরিফ মিয়া (২৮), মো. খোরশেদ আলম (৫০), মো. মুনছুর আলী (৩৫), মোহাম্মদ আলী (১৯), শাহিনুর হোসেন (২৫), মো. সবুজ মিয়া (২৩), মো. রাকিব (২০) |
| রূপনগর | ১২ | মৌলী আক্তার মল্লিকা (৩৫), মো. শ্রাবন (২০), মো. রাজু (৩৫), মোবারক হোসেন (২২), মো. আব্দুল কাইয়ুম (২৪), মো. আশাদুল ইসলাম (২৩), মো. আবির হাসান (২৮), মো. মাহিবুল ইসলাম (২৬), মো. ইশরাক হোসাইন ইফতি (২৫), মো. তাইবুর রহমান (২৫), মো. সবুজ মিয়া (২৩), মো. মুস্তাকিম সালেহীন একরাম অন্ত (২৪) |
ডিএমপি জানিয়েছে, অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা হবে। এ ধরণের অভিযান মূলত চুরি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়।
এই অভিযান রাজধানীতে নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। ডিএমপি আশা প্রকাশ করেছে যে, এর ফলে স্থানীয় জনগণ আরও নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে পারবে।
