মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যা চেষ্টা, চিকিৎসাধীন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেঘমল্লার বসু শুক্রবার দুপুরে আত্মহত্যার চেষ্টা করার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি হয়েছেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী-এর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল, তিনি জানান, বসু “মানসিক সমস্যার কারণে” এই চরম সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন এবং বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, বসুর মানসিক স্বাস্থ্য মূল্যায়নের জন্য বিশেষ মনোবৈজ্ঞানিক পরামর্শ ও পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে।

জাবির আহমেদ জুবেল আরও জানিয়েছেন, “আমরা এখনও জানি না কেন বসু এই চরম সিদ্ধান্ত নিলেন। তবে আমরা তার পাশে আছি এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।”

মেঘমল্লার বসু বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি এবং শিক্ষার্থীবান্ধব নীতির ক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন। তার হঠাৎ এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সহপাঠী ও অন্যান্য ছাত্রনেতারা সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট ছাত্র সংগঠনগুলো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা কর্মসূচি চালু করেছে। শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ ও মানসিক চাপ কমাতে কাউন্সেলিং সেন্টারগুলোতে অতিরিক্ত সেশন আয়োজন করা হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সময়মতো সঠিক মানসিক সহায়তা পেলে বসু দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন।

প্রাথমিক তথ্য সংক্ষেপ

বিষয়তথ্য
রোগীমেঘমল্লার বসু
পদঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি
ঘটনাআত্মহত্যার চেষ্টা
হাসপাতালসোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল
ভর্তি সময়শুক্রবার দুপুর
অবস্থাস্থিতিশীল, চিকিৎসাধীন
দায়িত্বপ্রাপ্তজাবির আহমেদ জুবেল (বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী সাধারণ সম্পাদক)
পরবর্তী ব্যবস্থামানসিক মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণ, কাউন্সেলিং সেশন বৃদ্ধি

বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট ছাত্র সংগঠনগুলো এ ধরনের ঘটনায় সতর্কতা অবলম্বন করছে এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ নিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক চাপ ও উদ্বেগের বিষয়টি ইতিমধ্যেই চিন্তার বিষয়, এবং এই ধরনের ঘটনাগুলি সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে কাজ করছে।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং অতিরিক্ত কাউন্সেলিং সেশন চালু করে সতর্কতা অবলম্বন করছে। শিক্ষার্থীরা একইসাথে সামাজিক ও অনলাইন মাধ্যমে একে অপরকে সহায়তা প্রদানে উদ্যোগ নিয়েছে।