আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি: জি এম কাদের। জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, সরকার ঐক্যবদ্ধ জাতিকে বিভিন্ন ইস্যুতে বিভক্ত করেছে। আওয়ামী লীগ হলে ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-বাকরি মিলবে। আওয়ামী লীগ না হলে তাদের জন্য কিছুই নেই। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ আর মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি নামেও বিভাজন চলছে। বিভাজন আর বৈষম্যের বিরুদ্ধেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। আওয়ামী লীগ দেশের মানুষের মাঝে বিভাজন সৃষ্টি করে বৈষম্য করেছে। তাই আওয়ামী লীগ হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি।
রোববার দুপুরে মুন্সিগঞ্জের জুবিলী রোডের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স চত্বরে জেলা জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান একথা বলেন। দলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি: জি এম কাদের
জি এম কাদের বলেন, গণতন্ত্রের নামে দেশে আওয়মী লীগ প্লাস তন্ত্র চলছে। যেখানে আওয়ামী লীগের সাথে পুলিশ, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, সংসদ ও কর্ম কমিশনসহ সবাই অন্তর্ভুক্ত। তাদের মধ্য থেকে বেছে বেছে দলীয় কর্মী বানিয়েছে। পুলিশ বলে আমাদের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী কীভাবে পুলিশের প্রার্থী হয়? এইভাবে সবাই মিলে দেশে আওয়ামী লীগ প্লাসতন্ত্র চালু করেছে। আওয়ামী লীগ প্লাসতন্ত্র হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের পরিপন্থি। আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার পক্ষের হতে পারে কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের পরিপন্থি। আমরা অত্যাচার ও নিপিড়ন থেকে মুক্তি চেয়েছিলাম। কিন্তু সেই মুক্তি আমরা পাইনি। কোন ভালো কাজই সহজভাবে সম্পন্ন হয় না। ভালো কাজের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে আমরা যেকোন ত্যাগ স্বীকার করবো।
মুন্সীগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জেলা আহ্বায়ক এডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু ও সদস্যসচিব জানে আলম। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন – জাতীয় পার্টির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মোঃ জামাল হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব মোঃ নোমান মিয়া, জেলা নেতৃবৃন্দের মধ্যে মো. হান্নান খান, আব্দুল হাকিম, শেখ মুহাম্মদ মুজাহিদুল হক, ইসমাইল হোসেন রাহাত, দেলোয়ার হোসেন খান বাদল, মোঃ আসাদুজ্জামান বাবুল ও আরিফ উজ্জামান দিদার।
