মফিজুল ইসলাম খান কামাল । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

মফিজুল ইসলাম খান কামাল বাংলাদেশের মানিকগঞ্জ জেলার রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা যিনি তৎকালীন ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।

মফিজুল ইসলাম খান কামাল । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

মফিজুল ইসলাম খান কামাল । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

প্রাথমিক জীবন

মফিজুল ইসলাম খান কামাল মানিকগঞ্জ জেলা জন্মগ্রহণ করেন। তার স্ত্রী মৃত সুলতানা কামাল মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।

রাজনৈতিক জীবন

মফিজুল ইসলাম খান কামাল ১৯৬৩ সালে ছাত্রলীগের বৃহত্তর ঢাকা জেলার সহসভাপতি ছিলেন। ১৯৬৮ সালে মানিকগঞ্জ মহকুমা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়ে মুজিব বাহিনীর তৎকালীন মানিকগঞ্জ মহকুমা কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন ঢাকা-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত তিনি মানিকগঞ্জ মহকুমা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ১৯৭৮ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত মানিকগঞ্জ মহকুমা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮১ সালে থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯২ কামাল হোসেন গণফোরাম গঠন করলে তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সভাপতি হিসেবে দায়িত্বপালন করে ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সালে সাংবাদিক সম্মেলন করে দল ত্যাগ করলেও পরে দলে ফেরেন। ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে, ১২ জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম, ২০০৮ সালের নবম ও ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণফোরামের প্রার্থী হিসেবে মানিকগঞ্জ-৩ আসন থেকে পরাজিত হয়ে ছিলেন।

 

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

 

সংসদ সদস্য

সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

পরিচিতি

সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন। বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

 

মফিজুল ইসলাম খান কামাল । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

অবস্থান

সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন। সংসদ সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment