ভারতে সমলিঙ্গ সম্পর্ককে স্বীকৃতি, বিয়েতে আপত্তি সুপ্রিম কোর্টের!।সমলিঙ্গে বিয়ের আবেদনে টানা ১০ দিনের শুনানির শেষে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ মঙ্গলবার এই রায় ঘোষণা করেছেন।
ভারতে সমলিঙ্গ সম্পর্ককে স্বীকৃতি, বিয়েতে আপত্তি সুপ্রিম কোর্টের!
তবে সমলিঙ্গ বিয়ের পক্ষে এখনো রায় দেননি বিচারপতিরা। এ বিষয়ে কেন্দ্রের কমিটিকে পদক্ষেপ নিতে বলেছে শীর্ষ আদালতের সাংবিধানিক বেঞ্চ। আইনসভার হাতেই বিষয়টি ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, সমকামী কিংবা এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের যে কোনও মানুষকে হেনস্থা বন্ধ করতে হবে। এই সম্প্রদায়ের কাউকে তাদের যৌন পরিচয় জানার জন্য থানায় তলব করা যাবে না।

তারা বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে এলে তাদের সেখানে জোর করে ফেরানো যাবে না। এই সম্প্রদায়ের কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করার আগে পুলিশকে প্রাথমিক ভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে।
রায় ঘোষণার সময় আরেক বিচারপতি কউল বলেন, ‘বিশেষ বিবাহ আইনে সমলিঙ্গ মিলনকে অন্তর্ভুক্ত করার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ওই আইন পরিবর্তন করতে হলে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।’তিনি আরও বলেন, সমকামী যুগল বা এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের উপর বৈষম্যবিরোধী একটি আইন দেশে প্রয়োজন।
নরেন্দ্র মোদী সরকারের পাশাপাশি, এ বিষয়ে সাতটি রাজ্যের সরকার তাদের মতামত জানিয়েছে। কেন্দ্রের পাশাপাশি, আসাম, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং রাজস্থান সরকার সমলিঙ্গে বিয়ের আইনি বৈধতার দাবির বিরোধিতা করেছে।

কেন্দ্রের তরফে সমলিঙ্গে বিয়ের আইনি স্বীকৃতির বিরোধিতা করে জানানো হয়, এটা নেহাতই ‘শহুরে অভিজাত সমাজের ভাবনা’। পাশাপাশি, এমন ‘স্পর্শকাতর বিষয়ে’ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার সংসদের হাতে তুলে দেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে।