টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতীয় ক্রিকেটের দুই সেরা ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি সংক্ষিপ্ত ফরম্যাট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এরপর তারা টেস্ট ক্রিকেট থেকেও নিজেকে সরিয়ে নেন। তবুও ওয়ানডে ক্রিকেটে তাদের উপস্থিতি এখনও দলকে শক্তি, আত্মবিশ্বাস ও মানসিক সাহস জুগিয়ে চলেছে। তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য তারা এক জীবন্ত দিকনির্দেশক হিসেবে থাকেন।
রাঁচিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে ম্যাচে ভারতের ইনিংস ৩৪৯ রানে পৌঁছানোর পেছনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে এই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। ম্যাচের বিশদ তথ্য নিচের টেবিলে তুলে ধরা হলো:
| ব্যাটসম্যান | রান | ইনিংস বিবরণ | গুরুত্বপূর্ণ নোট |
|---|---|---|---|
| রোহিত শর্মা | ৫৭ | স্টেডিয়ামে আধিপত্যশীল খেলা | দলে মানসিক শক্তি যোগ করেছে |
| বিরাট কোহলি | ১০৩ | ২৮০ দিন পর ক্যারিয়ারের ৮৩তম সেঞ্চুরি | তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা |
টসের আগে অধিনায়ক লোকেশ রাহুল বলেন,
“রোহিত ও কোহলির উপস্থিতি আমাদের নতুন খেলোয়াড়দের জন্য দিকনির্দেশকের মতো। সাজঘরে তারা থাকলে সকলের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।”
খেলা শেষে তিনি আরও যোগ করেন,
“এভাবে খেলতে দেখলে আনন্দ লাগে। তারা যে স্বাধীনভাবে খেলে, তা বছরের পর বছর ধরে দেখছি।”
দলের অন্যান্য খেলোয়াড়রাও তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।
কুলদীপ যাদব মন্তব্য করেন,
“কোহলির ইনিংস আমাকে পুরনো দিনের স্মৃতি ফিরিয়ে দিল। ব্যাটের প্রতিটি শটে আত্মবিশ্বাস ঝলকে।”
তিলক ভার্মা বলেন,
“প্রথমবার কোহলির শতরান সামনে থেকে দেখার সৌভাগ্য হলো। তিনি সবসময়ই আমাদের জন্য প্রেরণা।”
রোহিত ও কোহলির খেলা শুধুই রান বা রেকর্ডের বিষয় নয়। এটি দলের মনোবল, মানসিক দৃঢ়তা এবং তরুণ ক্রিকেটারদের শেখার সুযোগের প্রতীক। তারা দলের জন্য যেমন সংখ্যাগত অবদান রাখছেন, তেমনি তরুণদের শিখন ও উদাহরণের উৎস হিসেবেও অব্যাহত রয়েছে।
বিশেষভাবে বলা যায়, এই দুই ব্যাটসম্যান এখনো ভারতীয় ওয়ানডে ক্রিকেটের আত্মার শক্তি, যাদের উপস্থিতি ম্যাচের ফলাফলই নয়, দলের মানসিক দৃঢ়তা ও একতা নিশ্চিত করে।
