বাবার কবর জিয়ারতে উপস্থিত হলেন তারেক রহমান

আজ শুক্রবার বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার বাবা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন। প্রথমে তিনি কবরের সামনে ফুল অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান, এরপর দীর্ঘ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে প্রার্থনা করেন।

তারেক রহমান বেলা তিনটার কিছু আগে গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে জিয়া উদ্যানের উদ্দেশ্যে রওনা হন। লাল-সবুজ রঙে সাজানো দলের বিশেষ বাসে চড়ে তিনি কবর জিয়ারত করেন। গতকাল বৃহস্পতিবারও একই বাসে তিনি বিমানবন্দর থেকে গণসংবর্ধনার স্থান পর্যন্ত যাত্রা করেছিলেন। আজও, গতকালের মতো, তিনি বাসের সামনে দাঁড়িয়ে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের প্রতি হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানান। গাড়িবহরের ধীর গতির কারণ ছিল জনস্রোত—নেতা-কর্মীদের ভিড় রাস্তা জুড়ে।

সকাল থেকে ঢাকার শেরে বাংলা নগর এলাকায় জিয়া উদ্যান ও আশপাশে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনেকে হাতে দলীয় পতাকা, কেউ কেউ ব্যানার ও পোস্টার ধারণ করে তাঁদের শ্রদ্ধা প্রদর্শন করছিলেন।

কবর জিয়ারতের পর তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এটি তার ১৭ বছরের দীর্ঘ রাজনৈতিক নির্বাসনের পর দেশে ফেরার প্রথম দিনেই ঘটে। গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন, যা রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে ব্যাপক গুরুত্ব বহন করছে।

নিচের টেবিলে এই ঘটনার সময়রেখা সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো:

সময়কার্যক্রমস্থানমন্তব্য
সকালনেতা-কর্মীদের সমাবেশজিয়া উদ্যান, শেরে বাংলা নগরদলীয় পতাকা, ব্যানার, পোস্টারসহ উপস্থিতি
৩:০০ PMগুলশান থেকে রওনাগুলশান বাসভবনলাল-সবুজ সাজানো বাসে যাত্রা
৪:৪২ PMকবর জিয়ারত ও ফুল অর্পণজিয়া উদ্যানদোয়া ও মোনাজাত সহ শ্রদ্ধা প্রকাশ
পরবর্তীজাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনসাভারমুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এই কবর জিয়ারত এবং শহীদ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা প্রদর্শন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকী ঘটনা। এটি শুধুমাত্র পারিবারিক শ্রদ্ধা নয়, বরং দলের নেতা-কর্মীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।