বাংলাদেশের পাসপোর্ট আরও শক্তিশালী হলো

হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের ২০২৬ সালের হালনাগাদ বৈশ্বিক পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশ দুই ধাপ উন্নতি করে ৯৩তম অবস্থানে উঠে এসেছে। ২০২৫ সালের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান এই বছর আরও এগিয়েছে, যখন তা ছিল ৯৫তম। এই সূচকের ভিত্তিতে বাংলাদেশি নাগরিকরা বিশ্বের ৩৭টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া প্রবেশ করতে পারবে, যদিও কিছু ক্ষেত্রে অন-অ্যারাইভাল ভিসা বা ই-ভিসা প্রযোজ্য হতে পারে।

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের শীর্ষে রয়েছে এশিয়ার দেশ সিঙ্গাপুর, দ্বিতীয় স্থানে যৌথভাবে আছে জাপানদক্ষিণ কোরিয়া। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সুইডেনসংযুক্ত আরব আমিরাত, চতুর্থ স্থানে বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন এবং সুইজারল্যান্ড। পঞ্চম অবস্থানে অস্ট্রিয়া, গ্রিস, মাল্টা এবং পর্তুগাল, এবং ষষ্ঠ অবস্থানে হাঙ্গেরি, মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড, পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও স্লোভেনিয়া অবস্থান করছে।

বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা মুক্ত বা সহজলভ্য সুবিধা পাওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে পর্যটন, ব্যবসা ও শিক্ষা ভ্রমণের ক্ষেত্রে বেশ কিছু জনপ্রিয় গন্তব্য। নিচের টেবিলে দেশের নাম ও প্রযোজ্য ভিসা সুবিধা দেওয়া হলোঃ

দেশ/অঞ্চলভিসা সুবিধা
বাহামাঅন-অ্যারাইভাল
বার্বাডোসঅন-অ্যারাইভাল
ভুটানভিসা মুক্ত
ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডঅন-অ্যারাইভাল
বুরুন্ডিই-ভিসা
কম্বোডিয়াঅন-অ্যারাইভাল / ই-ভিসা
কেপ ভার্দ আইল্যান্ডসঅন-অ্যারাইভাল
কোমোরোঅন-অ্যারাইভাল
কুক আইল্যান্ডসভিসা মুক্ত
জিবুতিঅন-অ্যারাইভাল
ডমিনিকাভিসা মুক্ত
ফিজিভিসা মুক্ত
গ্রেনাডাভিসা মুক্ত
গিনি-বিসাউঅন-অ্যারাইভাল
হাইতিভিসা মুক্ত
জ্যামাইকাভিসা মুক্ত
কেনিয়াঅন-অ্যারাইভাল
কিরিবাতিভিসা মুক্ত
মাদাগাস্কারঅন-অ্যারাইভাল
মালদ্বীপঅন-অ্যারাইভাল
মাইক্রোনেশিয়াভিসা মুক্ত
মন্তসেররাতঅন-অ্যারাইভাল
মোজাম্বিকঅন-অ্যারাইভাল
নেপালভিসা মুক্ত
নুউয়েভিসা মুক্ত
রুয়ান্ডাঅন-অ্যারাইভাল
সামোয়াঅন-অ্যারাইভাল
সেশেলসঅন-অ্যারাইভাল
সিয়েরা লিওনঅন-অ্যারাইভাল
শ্রীলঙ্কাই-ভিসা
সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিসভিসা মুক্ত
সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনসভিসা মুক্ত
গাম্বিয়াঅন-অ্যারাইভাল
তিমুরঅন-অ্যারাইভাল
ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোভিসা মুক্ত
টুভ্যালুভিসা মুক্ত
ভানুয়াতুঅন-অ্যারাইভাল

এই সূচক বাংলাদেশিদের জন্য বিদেশ ভ্রমণকে আরও সহজ, দ্রুত এবং সুবিধাজনক করছে। বিশেষ করে পর্যটন, ব্যবসা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রে ভিসা প্রক্রিয়ার ঝামেলা কমানো এবং পরিকল্পিত ভ্রমণের সুযোগ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থানও দৃঢ় করছে।

বাংলাদেশি নাগরিকরা এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি স্বাধীনভাবে বিশ্বজুড়ে ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন, যা দেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও পর্যটন শিল্পের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।