বর্তমান সরকার গোটা দেশকে উপনিবেশ করে তুলেছে: রিজভী। বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের আনন্দবাজার পত্রিকায় লিখেছে, ভারতের কূটনীতিকরা না কি আমেরিকাকে বলেছে- হাসিনাকে সরালে ভারত ও আমেরিকার জন্য সুখকর হবে না। আমরা ভারতের কূটনীতিকদের বলি, শেখ হাসিনা গোটা দেশকে উপনিবেশ করে তুলেছেন।
তিনি বলেন, আমাদের কথা বলার অধিকার নেই, গণতন্ত্র নেই, ভোটের অধিকার নেই। জনগণের অধিকার আন্দোলন সংগ্রাম আমেরিকার ঐতিহ্য। ভারতের ঐতিহ্যেও জনগণের অধিকারের কথা আছে। তবে কেনো আপনারা (ভারত) এ ধরনের কথা বলছেন।
বর্তমান সরকার গোটা দেশকে উপনিবেশ করে তুলেছে: রিজভী
শুক্রবার বিকালে দয়াগঞ্জে বিএনপির পূর্বঘোষিত গণমিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে রিজভী এসব বলেন।তিনি আরো বলেন, ক্ষমতাসীন স্বৈরশাসক হিটলারের জুলুম অত্যাচার মানুষ দেখেছে । তার দেশপ্রেম ছিল না। এই দেশের জনগণের ওপর জুলুম অত্যাচার করে সরকার প্রধান সম্রাজ্ঞী হতে চান। এটা বাংলার জনগণ মেনে নেবে না।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা কথা বলছি গণতন্ত্রের জন্য ভোটের অধিকারের জন্য সুষ্ঠু ভোটের জন্য। শেখ হাসিনা আর সুষ্ঠ ভোট কি এক জিনিস? শেখ হাসিনা ও সুষ্ঠু ভোট এক জিনিস নয়। কেউ যদি বলে বঙ্গোপসাগরের পানি মিঠা পানি এটা কি সত্য? কেউ যদি বলে শেখ হাসিনার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এটা কি সত্য? এটাও সত্য নয়।
নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে রিজভী বলেন, এই তীব্র রোদ আর গরমের মধ্যে আপনারা উপস্থিত হয়েছেন একদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ অন্যদিকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। এই আন্দোলনে আপনারা অনেকেই হাত-পা হারিয়েছেন আহত হয়েছেন অনেকে শহীদ হয়েছে। তারপরেও আপনারা মিছিল থেকে সমাবেশ থেকে আন্দোলন থেকে পিছিয়ে যাননি। সেজন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে গণমিছিলে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন।