প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের দ্বিতীয় দিনে সচিবালয়ে উপস্থিত হন। নিজ দফতরে পৌঁছানোর পর তিনি দেশীয় তিন বাহিনী প্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন, যা সামরিক নেতৃত্ব এবং সরকারের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন:
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,
নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান,
বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
সাক্ষাতের সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও, সকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি এবং মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।
সাক্ষাতের উদ্দেশ্য ছিল সামরিক বাহিনীর সঙ্গে নীতি, নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা বিষয়ে সমন্বয় বাড়ানো। এটি নতুন সরকারের প্রথমবারের মত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের আনুষ্ঠানিক বৈঠক। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ দেশের নিরাপত্তা নীতিকে আরও সুদৃঢ় এবং স্থিতিশীল করতে সাহায্য করবে।
নিম্নে তিন বাহিনী প্রধান ও প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সংক্ষিপ্ত তথ্য টেবিলে তুলে ধরা হলো:
| পদবী | নাম | দায়িত্ব/অঙ্গসংস্থা | সাক্ষাৎ সময় |
|---|---|---|---|
| সেনাবাহিনী প্রধান | জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান | বাংলাদেশ সেনাবাহিনী | বৃহস্পতিবার, সকাল |
| নৌবাহিনী প্রধান | অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান | বাংলাদেশ নৌবাহিনী | বৃহস্পতিবার, সকাল |
| বিমানবাহিনী প্রধান | এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন | বাংলাদেশ বিমানবাহিনী | বৃহস্পতিবার, সকাল |
| প্রধানমন্ত্রী | তারেক রহমান | বাংলাদেশ সরকার | বৃহস্পতিবার, সকাল |
এই বৈঠক সরকারের কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও সমন্বয় বাড়ানোর পাশাপাশি তিন বাহিনী প্রধানদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করার সুযোগ তৈরি করেছে। সামরিক নেতারা সরকারের নীতি এবং দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিনিময় করেছেন, যা ভবিষ্যতের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হচ্ছে।
এদিনের সৌজন্য সাক্ষাৎ নতুন সরকারের জন্য শক্তিশালী নেতৃত্ব ও সমন্বিত কৌশল নিশ্চিত করার একটি সংকেত হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
