নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলির আতঙ্ক

মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি রাতের পর বাড্ডা এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনী এলাকায় তৎপর হয়ে ওঠে এবং অফিসসহ আশপাশের এলাকা ঘিরে ফেলে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বাড্ডা থানার নবনিযুক্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গণমাধ্যমকে জানান, দুর্বৃত্তরা চাঁদা না পাওয়ায় নির্বাচনী অফিস লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, “এটি কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নয়। ঘটনাটি সম্পূর্ণভাবে চাঁদাবাজি সংক্রান্ত। আমাদের অফিসে নির্বাচনি কর্মকাণ্ড চলাকালীন সময়ে এটি ঘটেছে।”

নিরাপত্তা সংস্থার বরাত দিয়ে জানা গেছে, গুলির ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য ডিএমপি এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তারা এখন সিসিটিভি ফুটেজ, স্থলপর্যায়ে নজরদারি এবং আশপাশের সাক্ষীদের মুখ্য বিবরণ সংগ্রহের মাধ্যমে তদন্ত শুরু করেছে।

ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্যগুলো নিম্নরূপে সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো:

ঘটনাবিবরণ
স্থানবাড্ডা, ঢাকা
সময়রাত, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
লক্ষ্যবস্তুনাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিস
হামলার ধরনদুই রাউন্ড গুলি ছোড়া
হতাহতের খবরনেই (প্রাথমিক)
মামলা/তদন্তডিএমপি বাড্ডা থানা তদন্তে নিয়োজিত
পরিস্থিতিঅফিস ও আশপাশের এলাকা ঘিরে ফেলা, নিরাপত্তা জোরদার

স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিরাপত্তা বাহিনী সতর্কতা অবলম্বন করে অফিসের নিরাপত্তা জোরদার করেছে। এছাড়া নির্বাচনী কর্মকাণ্ডের স্বাভাবিকতা বজায় রাখতে বিশেষ নজরদারি ও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

ঘটনার তদন্ত চলমান। প্রাথমিক তদন্তে বলা হচ্ছে, এটি একটি চাঁদাবাজি সম্পর্কিত ঘটনা, এবং রাজনৈতিক কোনও লক্ষ্য এই হামলায় সংশ্লিষ্ট নয়। তবে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচনকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।