রাজধানীর ডেমরা এলাকায় একটি কালি তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। ঘটনার সময় থেকে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা পর পর্যন্ত আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ঘটনাস্থলে অগ্নি নির্বাপণ বিভাগের চারটি দল কাজ শুরু করে। পরে আরও দুটি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয় বলে জানা যায়।
অগ্নি নির্বাপণ বিভাগের গণমাধ্যম শাখার পরিদর্শক মো. আনোয়ারুল ইসলাম জানান, ডেমরার আমুলিয়া মডেল টাউন এলাকায় অবস্থিত একটি কালি তৈরির কারখানায় আগুন লাগে। প্রথমবার বেলা ১১টা ৩৮ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া যায়। কারখানাটি টিনশেড নির্মিত হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। খবর পাওয়ার পরপরই নিকটবর্তী ডেমরা কেন্দ্র থেকে দুটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে সিদ্দিকবাজার কেন্দ্র থেকেও আরও দুটি দল ঘটনাস্থলে যোগ দেয়।
দমকল বিভাগ সূত্রে আরও জানা যায়, প্রাথমিকভাবে চারটি দল সমন্বিতভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় আরও দুটি দল ঘটনাস্থলের দিকে অগ্রসর হয়েছে। কারখানাটিতে রাসায়নিক পদার্থ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা আগুন নিয়ন্ত্রণে জটিলতা তৈরি করতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো বিস্তারিত নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সময়ক্রম ও উদ্ধার কার্যক্রমের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো—
| সময় | ঘটনা |
|---|---|
| বেলা ১১টা ৩৮ মিনিট | অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া যায় |
| বেলা সাড়ে ১১টার পর | আগুন ছড়িয়ে পড়া শুরু |
| প্রাথমিক পর্যায় | ডেমরা কেন্দ্রের দুটি দল পৌঁছে কাজ শুরু করে |
| পরবর্তী পর্যায় | সিদ্দিকবাজার কেন্দ্রের দুটি দল যোগ দেয় |
| চলমান সময় | আরও দুটি দল ঘটনাস্থলের পথে |
কারখানাটি টিনশেড হওয়ায় আগুন দ্রুত বিস্তার লাভ করে বলে জানা গেছে। অগ্নি নির্বাপণ বিভাগের দলগুলো পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণ ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তবে বেলা পৌনে একটায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আগুন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনও কাজ করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। আশপাশের এলাকায় সতর্ক অবস্থান নেওয়া হয়েছে যাতে আগুন আরও বিস্তৃত না হয়।
এ মুহূর্তে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অগ্নি নির্বাপণ বিভাগের দলগুলো আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী তথ্য জানাবে বলে জানা গেছে।