ডিএসই’র জেড ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরিত ৯ কোম্পানি

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সম্প্রতি ৯টি কোম্পানিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরিত করেছে। কোম্পানিগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করতে ব্যর্থ হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জেড ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরের ফলে এই কোম্পানিগুলোর শেয়ার কেনার সময় কোনো মার্জিন ঋণ সুবিধা আর পাওয়া যাবে না।

ডিএসই জানিয়েছে, ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে ‘এ’ ও ‘বি’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ৯টি কোম্পানির শেয়ার জেড ক্যাটাগরিতে লেনদেন হবে। ডিএসইর ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

ডিএসইর নির্দেশনা অনুযায়ী, সব স্টক ব্রোকার এবং মার্চেন্ট ব্যাংকারদের এই কোম্পানির শেয়ারের উপর মার্জিন ঋণ সুবিধা দেওয়া স্থগিত রাখতে হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্যাটাগরি পরিবর্তনের পেছনে মূলত ২০২৪ সালের ২০ মে জারি হওয়া বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা প্রভাব ফেলেছে।

নিম্নে ৯টি কোম্পানির তালিকা এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য টেবিলে দেখানো হলো:

ক্র. নংকোম্পানির নামপ্রাক্তন ক্যাটাগরিনতুন ক্যাটাগরিমার্জিন ঋণ সুবিধা
ফু-ওয়াং ফুডএ / বিজেডনেই
বিচ হ্যাচারিএ / বিজেডনেই
ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকএ / বিজেডনেই
কাট্টলি টেক্সটাইলএ / বিজেডনেই
ওয়াইম্যাক্স ইলেক্ট্রোডসএ / বিজেডনেই
আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজএ / বিজেডনেই
এস আলম কোল্ড রোল্ডএ / বিজেডনেই
জেমিনি সি ফুডএ / বিজেডনেই
বেস্ট হোল্ডিংসএ / বিজেডনেই

ডিএসই আরও জানিয়েছে, জেড ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরের মূল লক্ষ্য হলো কোম্পানিগুলোর শেয়ারের লেনদেনকে আরও স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত করা। পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে যে, এই সময়কালে এ কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগের আগে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কোম্পানিগুলো যদি দ্রুত তাদের এজিএম সম্পন্ন করতে পারে এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা মেনে চলে, তবে ভবিষ্যতে তারা আবার ‘এ’ বা ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ফিরে যেতে পারবে। এর ফলে বিনিয়োগকারীর জন্য মার্জিন ঋণ সুবিধা পুনরায় প্রযোজ্য হবে।

এই ধরনের পদক্ষেপ বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং পুঁজিবাজারের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।