বিএনপির সঙ্গে জাতীয় পার্টির সম্পর্ক এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই ভালো তো এই মন্দ। একে অপরের সামাজিক অনুষ্ঠানও তারা এড়িয়ে চলেন।
রোববার রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকদের নিয়ে ইফতার আয়োজন করে জাতীয় পার্টি। ঢাকার রেডিসন ব্লু হোটেলে আয়োজিত এই ইফতারে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা অংশ নেন।
জাতীয় পার্টির ইফতারে বিএনপি ও জোটের নেতারা
ইফতারে অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ড. আবদুল মঈন খান। তাদের সঙ্গে ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী ও আবদুস সালাম।

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারিতে ক্ষমতার পালাবদলের পর এই প্রথম জাতীয় পার্টির ইফতারে অংশ নেন বিএনপি নেতারা। হঠাৎ জাতীয় পার্টির ইফতারে বিএনপির অংশগ্রহণ রাজনীতিতে আলোচনার নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
১৯৯৯ সালে বিএনপির সঙ্গে চার দলীয় জোটে থাকা জাতীয় পার্টির আমন্ত্রণে ইফতারে আসার কথা জানিয়ে আবদুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর আমরা এলাম। ‘
ইফতারে বিএনপির নেতাদের সঙ্গে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব মজিবুল হক চুন্নু শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
রাজনীতিকদের মধ্যে ইফতারে এসেছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক ও দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া।
বিএনপির আন্দোলন সঙ্গী জেএসডির সভাপতি আসম আবদুর রবও দীর্ঘদিন পর জাতীয় পার্টির কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন।
অন্যান্য দলের মধ্যে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, গণফোরামের সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী, জাতীয় পার্টি-জেপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব আব্দুল মান্নান, এবি পার্টির আহ্বায়ক এএসএম সোলায়মান চৌধুরী, সদস্য সচিব মুজিবুর রহমান মঞ্জু, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত আমিনীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেন।

কূটনীতিকদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস, যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন, জার্মানির রাষ্ট্রদূত আখিম ট্র্যোস্টার ছিলেন।
জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কাজী ফিরোজ রশিদ, এ বিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম ও সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা প্রমুখ এতে উপস্থিত ছিলেন।
আরও দেখুনঃ
