জাতীয়তাবাদী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীয়ের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে রওয়ানা হয়েছেন। রোববার (১৫ মার্চ) বেলা ১১টা ২০ মিনিটে ঢাকা থেকে উড্ডয়ন করা এই বিমানটি তার স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সমস্ত আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে।
মির্জা আব্বাসের ভাগনে এবং ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ জামাল চৌধুরী আদিত্য জানিয়েছেন, “পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হচ্ছে। আপনারা মির্জা আব্বাসের দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন।”
পরিবারের সঙ্গে ভ্রমণ
মির্জা আব্বাসের সঙ্গে বিমানযাত্রায় ছিলেন তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস, যিনি জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী, এবং বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস। পরিবার সূত্র জানিয়েছে, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে যাতে প্রয়োজনে অবিলম্বে চিকিৎসা প্রদান করা যায়।
যাত্রার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| প্রস্থান স্থান | ঢাকা, বাংলাদেশ |
| গন্তব্য | সিঙ্গাপুর |
| প্রস্থান সময় | ১৫ মার্চ, বেলা ১১:২০ মিনিট |
| যাত্রী সংখ্যা | ৩ জন |
| বিমান ধরন | চিকিৎসা সজ্জিত এয়ার অ্যাম্বুলেন্স |
| চিকিৎসা সেবা | আধুনিক চিকিৎসা সুবিধাসম্পন্ন বিমান এবং চিকিৎসক সংযুক্ত |
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সিঙ্গাপুরে মির্জা আব্বাসের চিকিৎসা আধুনিক হাসপাতাল এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের তত্ত্বাবধানে হবে। যাত্রা ও চিকিৎসার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন মহলে দোয়া ও শুভেচ্ছা
মির্জা আব্বাসের সুস্থতার জন্য দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মহল থেকে দোয়া এবং শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছে। বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।
পরিবার সূত্র জানিয়েছে, চিকিৎসা সম্পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত জনগণের প্রার্থনা ও সমর্থন তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করা হচ্ছে আধুনিক চিকিৎসা শেষে মির্জা আব্বাস স্বাভাবিক অবস্থায় দেশে ফিরে আসবেন।
মির্জা আব্বাস দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কারণে দেশের বিভিন্ন মহলে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে গণ্য হন। পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে, জনগণ যেন তার সুস্থতার জন্য দোয়া ও শুভেচ্ছা অব্যাহত রাখেন।
মোটদাগে, এই বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যাত্রা মির্জা আব্বাসের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবারের জন্য মানসিক শান্তি এবং নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
