কোহলি–বাবর তুলনা আবারও আলোচনায়

কোহলি বনাম বাবর—আধুনিক ক্রিকেটের সবচেয়ে আলোচিত বাক্যবন্ধ। কেউ বলেন কোহলি আবেগ, আগ্রাসন ও নান্দনিকতার প্রতীক। অন্যরা বলেন বাবর নিখুঁত টেকনিক, শৃঙ্খলা ও স্থিরতার প্রতিচ্ছবি। বিতর্ক যতই চলুক, সত্যি হলো—দুজনই সময়ের সেরা। আর রাওয়ালপিন্ডিতে বাবরের সর্বশেষ ইনিংস সেই বিতর্কে যোগ করল নতুন মাত্রা।

৩৮তম ফিফটি হাঁকিয়ে তিনি পৌঁছে গেলেন কোহলির ঠিক কাতারে। ক্রিকেট ইতিহাসে কোহলির মতো ধারাবাহিক রান–তাড়া করার ক্ষমতার সঙ্গে তুলনা হয় খুব কম ব্যাটারের। কিন্তু বাবর আজম ক্রমেই সেই কাতারে উঠে আসছেন। ১৩৪ ম্যাচে তাঁর ৪,৩৯২ রান শুধু সংখ্যার নয়, বরং ব্যাটিং নৈপুণ্যের উদাহরণ।

এই মাইলফলকের পাশাপাশি আরেকটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হলো তামিম ইকবালকে ছাড়িয়ে যাওয়া। বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল ওপেনারদের একজন তামিম ১৫,২৪৯ রানে থেমেছেন। বাবর এখন ১৫,২৫৯ রানে এগিয়ে। এটি প্রমাণ করে—মাত্র ৩০ বছর বয়সেই বাবর অভিজ্ঞতা ও প্রতিভার এমন সমন্বয় ঘটিয়েছেন, যা অনেক ব্যাটার পুরো ক্যারিয়ারেও পারেন না।

তবে প্রশ্ন আছে—এই রেকর্ড কি বাবরকে কোহলির সমতুল্য করে? নাকি কোহলির আগ্রাসী, গেম–চেঞ্জিং ব্যাটিং এখনো তাঁকে এগিয়ে রাখে? মতপার্থক্য থাকবে। কিন্তু নিশ্চিত বিষয় হলো—বাবর আজম আধুনিক যুগে ধারাবাহিকতার আরেক নাম, আর রেকর্ড বইয়ের পাতা আরও বহুবার তাঁর নামেই বদলাবে।