একাদশে থাকবেন কি না?-চাপে জামাল

ম্যাচের আগের দিন সাধারণত খেলোয়াড়রা কৌশল, প্রস্তুতি বা প্রতিপক্ষ নিয়ে কথা বলেন। কিন্তু জামাল ভূঁইয়ার ক্ষেত্রে গল্পটা ভিন্ন। তাঁকে ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—তিনি একাদশে থাকবেন কি না। যতবার তিনি মাইকের সামনে দাঁড়াচ্ছেন, একই প্রশ্ন তাঁকে তাড়া করছে।

এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতির জন্ম শিলংয়ে। ম্যাচের আগের দিন কোচ কাবরেরা তাঁকে সঙ্গে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এলেও পরদিন তাঁকে একাদশে রাখেননি। নেতৃত্বও চলে যায় তপুর হাতে। পরবর্তী তিন ম্যাচেও একই চিত্র—জামাল শুধু বেঞ্চে। হংকং অ্যাওয়ে ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নামলেও তাঁর জায়গাটি আর নিশ্চিত নয়।

জামাল নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন—তিনি খেলতে প্রস্তুত, তবে সিদ্ধান্ত কোচের। একাদশে থাকা না-থাকা তাঁর হাতে নেই। তবুও তিনি আশাবাদী—বাংলাদেশ জিতবে। কারণ বর্তমান স্কোয়াড, বিশেষ করে হামজা ও শমিতের সমন্বয়, তাঁর চোখে ভারতের তুলনায় এগিয়ে।

৩৫ বছর বয়সে ৯২ ম্যাচের অভিজ্ঞতা নিয়ে এখনও নিজেকে প্রমাণ করতে হয় তাঁকে। সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোয় কাবরেরা তাঁকে নানা ভূমিকায় ব্যবহার করেছেন—কখনো ডিপ মিডফিল্ডে, কখনো আরও এগিয়ে। কিন্তু আজ ভারতের বিপক্ষে তাঁর প্রথম একাদশে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণই।

তবে বদলি হিসেবে তাঁকে নেমে আসতে দেখা যেতে পারে। ক্যারিয়ারের ছয় ম্যাচে ভারতকে কখনও হারাতে না পারা জামাল এবার সেই দুঃখ ঘোচাতে চান। তাঁর মতে—“এটাই বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী দল।”

জামাল স্বীকার করেন—ডিফেন্স দুর্বল। কিন্তু তাঁর বিশ্বাস, ভারত যদি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে, তাহলে বাংলাদেশের দ্রুতগতির আক্রমণভাগ—বিশেষ করে রাকিব—ভারতকে চাপে ফেলতে পারে। “রাকিবকে ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে যে কোনো রক্ষণ ভেঙে দেওয়া সম্ভব,” বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।