মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তার প্রশাসন ইরানকে পরমাণু অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেবে না। শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প বলেন, “আমি চাই না ইরানের কাছে কোনো পরমাণু অস্ত্র থাকুক। আমি চাই ইরান একটি সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ হোক, তবে পরমাণু অস্ত্র তাদের থাকতে পারবে না।”
এই মন্তব্যের প্রেক্ষাপটে শনিবার ওমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় ইরানের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ অংশ নেন। যদিও তেহরান বলছে, ওমানের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে আলোচনা হচ্ছে, হোয়াইট হাউস এটিকে সরাসরি বৈঠক হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ইরান চায়, ২০১৫ সালের চুক্তি জেসিপিওএর আওতায় একটি নতুন পরিকল্পনা হোক, যাতে ভবিষ্যতে কোনো পক্ষ চুক্তি থেকে সরে গেলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকে। অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্র শুধু সামরিক দিক নয়, ইরানের সব ধরনের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করার দাবি করছে। তারা ইরানের মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক মিত্রদের প্রতি সমর্থনও বন্ধ করতে বলছে।
তেহরান এসব দাবিকে তার প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতিতে হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে এবং বেসামরিক পরমাণু শক্তি অর্জনের অধিকার বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
