ড. আব্দুল মঈন খান হলেন একজন বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী ও রাজনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং খালেদা জিয়ার মন্ত্রীসভার সদস্য হিসাবে ২০০১-২০০২ থেকে তথ্য মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নরসিংদী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আব্দুল মোমেন খান ছিলেন সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও বিএনপি রাজনীতিবিদ।
আব্দুল মঈন খান | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

জন্ম ও পারিবারিক পরিচিতি
মঈন খানের জন্ম ১৯৪৭ সালের ১ জানুয়ারি। তার পিতার নাম আব্দুল মোমেন খান এবং মাতা খোরশেদা বেগম। শিক্ষাজীবনে মঈন খান নটর ডেম কলেজে অধ্যয়ন করেন। পরবর্তীতে তিনি উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন এবং শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।
কর্মজীবন
মঈন সাবেক বাংলাদেশ-জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) রাজনীতিবিদ ও খাদ্যমন্ত্রী আবদুল মোমেন খান এর ছেলে। বাবার হাত ধরেই তিনি রাজনীতি শুরু করেন।২০০৯ সালের ডিসেম্বরে তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হন।

২০০৯ সালের ডিসেম্বরে মঈন খান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হন। তিনি গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে বিভিন্ন সময়ে বক্তব্য প্রদান করেছেন। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে নরসিংদীতে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে তিনি বলেন, ‘রাজনীতি কোনো পেশা নয়, রাজনীতি কোনো ব্যবসা নয়’। তিনি সততা ও গণতন্ত্রের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন এবং সন্ত্রাসের রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেন।
মঈন খান সংঘাতময় রাজনীতির বিরোধী। তিনি বিশ্বাস করেন, সংঘাতময় রাজনীতিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি সংবিধানের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘সংবিধানের জন্য জনগণ নয়, জনগণের জন্য সংবিধান’।

গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য মঈন খান সবসময় সোচ্চার। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য দেশের লাখো মানুষ জীবন দিয়েছেন’ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান।
সাম্প্রতিক সময়ে মঈন খান নতুন প্রজন্মের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং তাদের ধ্যান-ধারণার পরিবর্তনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘নতুন প্রজন্ম শুধু বয়স দিয়ে নির্ধারণ হয় না, নির্ধারণ হয় নতুন ধ্যান ধারণায়’।
আরও দেখুনঃ
